প্রদীপ কুমার সিংহ :- যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন এখনো অনেক বাকি আছে। কিন্তু রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা এই কাঠফাটা রোদ্দুরে ভোট প্রচারে কোন খামতি রাখছে না। শনিবার সকালে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম তথা বামফ্রন্ট পার্টির সৃজন ভট্টাচার্য বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে সাউথ গড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ ও ভোট প্রচার করলেন। সৃজন ভট্টাচার্যকে বারুইপুরে কয়েকটি জায়গায় মতোই ফের পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ শুনতে হল। শনিবার বারুইপুরের সাউথ গড়িয়া পঞ্চায়েতের ওরঞ্চ স্কুল মাঠ থেকে পায়ে হেঁটে প্রচার শুরু করেন সৃজন। সৃজন ভট্টাচার্য সেইসঙ্গে একটি র্যালী ও করেন। সেই র্যালিতে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে দেখার মত ।
গ্রামের রাস্তায় এগোতে অন্য নহিলারা ঘিরে ধরে পানি ও জলের কষ্টের অভিযোগ করেন প্রার্থীর কাছে। সৃজন তাঁদের আস্বস্ত করেন। পরে বাম প্রার্থী বলেন, রাস্তা, পানীয় জল সব অভিযোগ শুনতে হচ্ছে। তৃণমূল বলছে গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই, আমরা বলছি মানুষের রুটি রুজির লড়াই। এদিন কাটাখাল হয়ে সাউথ গড়িয়া পঞ্চায়েত এর দিকে গ্রামে গ্রামে ঘোরেন বাম প্রার্থী। তিনি আরো বলেন তৃণমূল এখন ভোট প্রচারে বেরিয়ে মানুষের কাছে এই অভিযোগ অনেক শুনছে তৃণমূল এখন প্যাঁচে পড়েছে। তৃণমূল বলছে এখন রুটি রোজগারের ভোট নয় এটা হচ্ছে লোকসভার ভোট । মানুষের কাছে সব শুনছিলাম গণতন্ত্র, সার্বভৌমিকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা যার সাথে তৃণমূলে কোন সম্পর্ক নেই সেটা নিয়ে এখন বলতে শুরু করেছে। কারণ বুঝতে পারছে তৃণমূল যেই রুটি রুজির কথা আসবে জল,কল ,রাস্তা, আলো, স্কুল-কলেজের কথা যখন আসবে তৃণমূল তখন প্যাচে পড়বে। মানুষ তাদেরকে এইসব অভিযোগের থেকে ধরছে। মানুষ আরো বলছে পঞ্চায়েতে তোমরা যে লুট করলে কি কাজটা করলে এমপি এম এল এ রা। মানুষ যদি আমাদের ভোট দেয়, আমরা যদি জিতি তাহলে সাংসদ তহবিলে একটা অর্থ আছে সেটা দিয়েই আমরা কাজ করার চেষ্টা করব।






