Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

ছাত্রের খুনির ফাঁসি দাবিতে গ্ৰামবাসীদের বিক্ষোভ

বারুইপুরে এক ছাত্র খুনের ঘটনায় খুনির ফাঁসি চাই এই নিয়ে বারইপুর আদালত চত্বরে শুক্রবার বিক্ষোভ দেখায় ওই ছাত্রের মা, পরিবার ও গ্রামবাসীরা।
গত ২৮ তারিখ উত্তরভাগে সপ্তম শ্রেণির নাবালক ছাত্রকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায়পুলিশ গ্রেপ্তার করে মাতা জি সহ আরো চারজনকে। ৩০ মে রাত্রে এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। পরের দিন বারুইপুর মহকুমা আদালতে এই পাঁচজনকে তোলা হলেই মহামান্য বিচারক ১৪ দিনে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। শুক্রবার ঐ পাঁচজনকে আবার বারুইপুর  আদালতে পেশ করার সময় ছাত্রের মা,গ্রামবাসী ও পরিবারের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখায় ও ওই মাতাজির  ফাঁসির দাবি তোলে।
ঘটনাটি ঘটেছিল গত  ২৮ মে বারুইপুর থানার উত্তরভাগ দমদমা এলাকায় । মৃতের ছাত্রের নাম প্রবীত্র সরদার(১৫)। মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।  তার বিরুদ্ধে অভিযোগ একটি আশ্রমে ঢুকে আশ্রমের  বিভিন্ন জিনিস চুরি করেছিল । এই অভিযোগে তাকে আশ্রমে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তারপর তাকে বেধড়ক মারা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেছিল চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে মৃতের মামা ঘটনাস্থলে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ছিল । এই ঘটনার পরে ক্ষোভে ফেটে পড়ে এলাকার বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য এই আশ্রমে অসামাজিক কাজকর্ম হতো । সেই বিষয়টি ঢাকতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মৃত ছাত্র পবিত্র এর মা বারুইপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত নেমে ওই আশ্রমের  মাতাজি সহ আরো চার জনকে গত ৩০  মে  গ্রেফতার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। ৩১  তাদেরকে আদালতে পেশ করা হলে আদালতের  মহামান্য বিচারক তাদেরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল।
  ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে শুক্রবার মাতাজী সহ চারজনকে আবার যখন বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়  তখন মৃত ছাত্র পবিত্র সরদারের মা সহ কয়েকশো গ্রামবাসী হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে মাতাজির ফাঁসির দাবি তোলে বারুইপুর আদালত চত্বরে।
অঙ্কিতা চক্রবর্তী ওরফে শম্পা ঘোষ ওরফে মাতাজি (60) সহ পিংকি সরদার(29),প্রিয়া দাস(18),স্বপ্না দাস( ৫৬ ) ও অজিত সরদার (56) এর বিরুদ্ধে 341/323/326/304/302  ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
যদিও এখনো পর্যন্ত মৃত ছাত্রের পরিবার ও গ্রামবাসীরা আদালত চত্বরেই শামিল আছে।
বারুইপুর মহকুমা আদালতের মহামান্য বিচারক মাতাজি সহ ওই পাঁচজনকে আবার ১৪ দিনের জেল হেপাজাতের থাকা নির্দেশ দেন।
বারুইপুর কোর্টের উকিল রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন এই মামলার যিনি বিচারক ছিলেন তিনি বলেছেন তার পক্ষে এই মামলা শোনা সম্ভব নয়। মাতাজী কে জামিন করানোর জন্য যে উকিল ছিলেন তাকে বিচারক বলেন উনাকে জামিন দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আপনারা উচ্চ আদালতে আপিল করুন। গ্রিল রবিউল ইসলাম বলেছেন মাতাজি যে আদালতে জামিনের আবেদন করতে যাবন সেই আদালতে আমরা তার বিরোধিতা করবো।

Related News

Also Read