Select Language

[gtranslate]
৩০শে পৌষ, ১৪৩২ বুধবার ( ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ )

সাংসারিক অশান্তির জেরে বিষ খেলো যুবক 

প্রদীপ কুমার সিংহ

 একটি মেয়ের সঙ্গে কয়েক বছর আগে আলাপ হয়েছিল কাজ করতে গিয়ে এক যুবক রাজমিস্ত্রির।তারপর নিজেদের মধ্যে ভাব ভালোবাসা হয়। শেষের ৬ মাস আগে দুজনে বাড়ির লোকের মতামতেই বিবাহের আবদ্ধ হয় । কিন্তু বিবাহ পর স্ত্রীর অশান্তি লেগে থাকতো দুজনের মধ্যে। শেষে ২৬ তারিখ সকালে যুবকের সঙ্গে তার বাবার তুমুল কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয় ছেলে। তাতে ছেলে বিষ খায়। আশেপাশে বাড়ির লোক জানতে পারলে তাকে নিয়ে প্রথমে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে আসে সেখানে একদিন ভর্তি ছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসক বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। মঙ্গলবার ভোরে বারুইপুর হাসপাতালে সেই যুবকের মৃত্যু হয়। যুবকের পরিবারের সূত্রে খবর

সাংসারিক অশান্তির জেরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করলে এক যুবক। মৃত যুবকের নাম সোমনাথ মন্ডল (২২)। বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগর থানার অন্তর্গত মাহিস্বর কামারিয়া এলাকায়। পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। ছয় মাস আগে বিবাহ হয়েছিল জয়নগর থানার অন্তর্গত দক্ষিণ বারাসাত এলাকার কনিকা মন্ডলের সাথে। নিজেরা দেখাশোনা করেই বিবাহ করেছিলেন। বিবাহের কিছুদিন পর তাদের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। সেই অশান্তির কথা যুবকের বাবা শুভেন্দু বাবু জানতে পারে।শনিবার সকালে সোমনাথ ও শুভেন্দু বাবুর সঙ্গে চরম অশান্তি হয়। সোমনাথ নিজেকে রাখতে না পেরে বাড়িতে বিষ ছিল সেই বিষ খেয়ে নেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে পারলে সঙ্গে তাকে নিয়ে প্রথমে পদ্মেরহাট গ্রামীন হাসপাতালে আসে। সেখান অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসক বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে সোমনাথ ভর্তি ছিল দুদিন। শেষে মঙ্গলবার সকাল বেলা বারুইপুর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। বারুইপুর থানার খবর দিলে বারুইপুর থানা পুলিশ সোমনাথের নিথর দেহটি ময়দান তদন্তের জন্য পাঠায় মঙ্গলবার দুপুরে। সোমনাথের এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য বারুইপুর থানা ও জয়নগর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Related News

Also Read