Select Language

[gtranslate]
২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ রবিবার ( ৭ই জুন, ২০২৬ )

জন মৎস্যজীবী প্রাণে বাঁচলো নিজেদের কৌশলে।

মাঝ সমুদ্রে দুটি ভুটভুটি টলার বিপন্ন হলেও ১৮ জন মৎস্যজীবী প্রাণে বাঁচলো নিজেদের কৌশলে। আজ শনিবার সকালে দীঘা মোহনা ও শংকরপুর মৎস্য বন্দর থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। শংকরপুর মৎস্য বন্দর সূত্রে খবর প্রথমে মা অন্নপূর্ণা ভুটভুটি  উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের তাল সামলাতে না পেরে  জলে ডুবে যায়। পরে নিউ প্রতিমা ভুটভুটি ট্রলারটি মাছ ধরতে বেরিয়ে গেলে উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড় ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। দুটি ট্রলারে ৯ জন করে মৎস্যজীবী ছিলেন। তারা প্রত্যেকে অন্য ট্রলারে উঠে অথবা সাঁতার কেটে পাড়ে চলে আসে। এভাবেই ১৮ জন মৎস্যজীবী প্রাণে বাঁচে। এই ঘটনাকে ঘিরে মৎস্যজীবীদের মধ্যে ক্ষোভের  সঞ্চার হয়েছে। ট্রালার মালিক শুকদেব জানা বলেন মোহনায় নাব্যতার কারণে এই দুর্ঘটনাগুলি প্রতিবছর ঘটে চলেছে। ড্রেজিং করার জন্য বহুবার আবেদন জানিয়েও কোন ফল হয়নি।

এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক তথা শংকরপুর ফিশারম্যান এন্ড ফিস ট্রেডার্স  অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ নায়ক বলেন সরকারের কাছে ১২ বছর ধরে ড্রেজিং এর আবেদন জানিয়েও কোন ফল হয়নি। সেই কারণে প্রতিবছর এভাবে দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। সরকারের কোন নজর নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে এই ট্রলার গুলিতে ঢাকা খাদ্য সামগ্রী ও অন্যান্য সামগ্রী মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া  মা অন্নপূর্ণা  ট্রলারটিকে ট্রেনে পাড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। এই ক্ষতির জন্য সারা মরসুম কিছুই করতে পারবে না এই মৎস্যজীবীরা। তাদের জীবন জীবিকা কেমন চলবে সেই ভেবে দিশেহারা।

Related News

Also Read