এলাকার দুষ্কৃতিদের দাবি মত চাঁদা এবং মদ কেনার টাকা না দেওয়ায় এক পুলিশ কর্মীর বাড়িতে ঢুকে মারধর করলো দুষ্কৃতীরা।এমনকি বাড়িতে লুঠপাঠ চালানো হয় বলেও অভিযোগ।ঘটনাটিকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।সাধারন মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।বিরোধীরা এই ঘটনার সাথে শাসক দল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত বলে দাবি করেছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি ২ নম্বর ব্লকের নিজ কসবা গ্রামের বাসিন্দা কোলাঘাট থানায় কর্তব্যরত রামকৃষ্ণ মন্ডল। অভিযোগ এই পুলিশ কর্মীর বাড়িতে তার স্ত্রীকে একা পেয়ে মাঝে মধ্যেই এলাকার কিছু দুষ্কৃতী সবসময় টাকা চায়।দাবি পুরন না হওয়ায় এই মহিলাকে প্রায় সময়েই হুমকী দেয় দুষ্কৃতীরা।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার রামকৃষ্ণ মন্ডল বাড়ি ফেরার পরে অভিযুক্ত দুষ্কৃতিরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় ।দীর্ঘক্ষণ দুষ্কৃতীদের সাথে কথা কাটাকাটি হয় ওই পুলিশ কর্মীর।তারপরেই আচমকা তাঁর মাথায় এই দুষ্কৃতীরা বাঁশ দিয়ে আঘাত করে ও বাড়িতে লুঠপাঠ করে বলে অভিযোগ।
আহত পুলিশ কর্মীর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দার ছুটে আসেন।তাঁরাই তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যান। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ছড়িয়েছে উত্তেজনা।
স্থানীয় বিজেপি নেতা পবিত্র দাসের অভিযোগ তৃনমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।তৃনমূল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
খেজুরী থানা সুত্রে জানা গেছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।তাঁরা তদন্ত শুরু করেছেন।প্রাথমিক ভাবে বিষয়টা পারিবারিক বলেই পুলিশের অনুমান






