প্রদীপ কুমার সিংহ
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু বছর আগে ১৬ই আগস্ট এর দিন খেলা হবে দিবস পালন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল পশ্চিমবাংলার সবচেয়ে জেলাকেই। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বারুইপুর পৌরসভার 12 নম্বর ওয়ার্ডের অমৃতলাল কলেজ মাঠে শনিবার খেলা দিবস পালিত হয়।

পশ্চিমবাংলায় যুবক ও কল্যাণ দপ্তরের পরিচালনায় বারইপুর পৌরসভার উদ্যোগে একটি ফুটবল হয় ।সেই ফুটবল প্রতিযোগিতার চলাকালীন বারুইপুর থানার আধিকারিক আইসি ও ডিএসপি সৌমজিৎ রায় মহাশয় রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাওয়ার জন্য তাকে বারুইপুর পৌরসভার থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পৌরসভার পৌর পিতা শক্তি রায়চৌধুরী উপ পৌর পিতা গৌতম দাস সহ একাধিক পৌরপিতা পৌর মাতা গন।

সৌমজিৎ রায়ের তার বক্তব্য বলেন বারুইপুরে থানায় তিন বছর আধিকারিক আছেন, তার মধ্যেই এই সম্মান পাওয়ায় তিনি অভিভূত, আরো বলেন আমার আরও দায়িত্ব বেড়ে গেল। আগামী দিনে আরও দায়িত্ব ভালো করে যাতে পালন করা যায় সেই চেষ্টাই করবেন। প্রত্যেক বারুইপুর বাসীকে এই সম্বর্ধনা পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানাই। আমার কর্ম জীবনে এবং ব্যক্তিগত জীবনে বারুইপুরের নাম মনের মনিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।
বারইপুর পৌরসভা উদ্যোগে খেলা দিবস উপলক্ষে চার দলীয় নক আউট অনূর্ধ্ব ১৬ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে আয়োজন করে। এই দলগুলি বাড়ির উপর 12 নম্বর ওয়ার্ডের নজরুল স্মৃতি সংঘ দু নম্বর ওয়ার্ডের কল্যাণ সংঘ ষোল নম্বর ওয়ার্ডের বিশালক্ষী তলা স্পোর্টিং ক্লাব ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডে নিউ ইন ইন্ডিয়া ক্লাব। ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ, ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট, চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সের সুদৃশ্য বড় ট্রফি এবং কিছু টাকা পুরস্কার দেওয়া হয় এই প্রতিযোগিটায়। এই প্রতিযোগিতায় ফাইনাল খেলা হয় নিউ ইন্ডিয়ান ক্লাব ও নজরুল স্মৃতি সংঘের মধ্যে। ফাইনাল খেলার বিরতির আগে পর্যন্ত নিউ ইন্ডিয়ান ক্লাব এক শূন্য গোলে এগিয়ে।

পাশাপাশি বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তগত ১৫ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাকায় খেলা দিবস উপলক্ষে নক আউট ফুটবল প্রতিযোগিতা হয়। এই খেলাগুলিতে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিভাস সরদার,বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। রামনগর দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সোমনাথ চক্রবর্তীর উদ্যোগে রামনগর স্কুল মাঠে ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। পঞ্চায়েত প্রধান সোমনাথ চক্রবর্তী বলেন গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬ টি বুথ আছে। দুটি করে বুথ নিয়ে একটি দল গঠিত হয়েছে। প্রত্যেক দলের সাতজন করে খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে। যে আটটি দল নাম দিয়েছে, সেই আটটি দলের নাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসব প্রকল্প করেছে সেই নাম অনুসারে দেওয়া হয়। যেমন রূপশ্রী, কন্যাশ্রী ,সবুজ সাথী, খাদ্য সাথী, স্বাস্থ্য সাথী,কৃষক বন্ধু, লক্ষ্মী ভান্ডার,আমার পাড়ার আমার সমাধান। ফুটবল প্রতিযোগিতার পুরস্কার ছিল দুটি সদৃশ্য চ্যাম্পিয়ন ও রানাস ট্রফি, ফাইনালে যে দুটি দলের খেলা অংশগ্রহণ করে সেই দুটি দলের প্রত্যেকের জার্সি এবং কিছু টাকা উপহার দেওয়া হয়।
তিনি বলেন এই ফুটবল প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এলাকার ভালো ভালো ফুটবল খেলোয়ার কে আগামীদিনে যাতে বড় জায়গা খেলতে পারে, তাদের জন্যই এই ব্যবস্থা। সকাল ১১ টার সময় শুরু হয়েছে এই প্রতিযোগিতা তা চলে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।।





