ফের অভিনবত্বের ছোঁয়া কাঁথি লায়ন্স ক্লাবের সামাজিক সেবা প্রকল্পে।গত দুই-এক বছর সেই বাঁধা ধরা ছকে ১ জুলাই লায়ন্স ড্রিস্ট্রিক ৩২২সি -১ এর ফাউন্ডেশান ডে এবং চিকিৎস্যক দিবস উদযাপন হলেও, ২০২৪-২৫ লায়ন্স বর্ষে শান্তনু গিরির হাত ধরে ফের ছক ভেংগে পালিত হল ফাউন্ডেশান ডে এবং চিকিৎস্যক দিবস।
সোমবার সকালে লায়ন্স ড্রিস্টিক্টের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে দারুয়ার মুসলিম গার্লস স্কুলে এক গুচ্ছ কর্মসূচী ছিলো কাঁথি লিও ক্লাব-লায়নেস ক্লাব ও লায়ন্স ক্লাবের।গাছ লাগানো-স্বাস্থ্য শিবির-সচেতনতা শিবির আরো কত কি।তবে মাস্টার স্ট্রোক দিলেন কাঁথি লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি শান্তনু গিরি।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করলেন “ওয়াটার বেল” বা “জল ঘন্টা” চালু করার।সহমত পোষন করলেন মুসলিম গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ইন্দিরা শাসমল পন্ডা সহ অন্যান্য শিক্ষিকা-শিক্ষা কর্মীরাও।এককথায় বলতে গেলে চুপিসারে অনেক বড় কাজ করলেন শান্তনু।
কি এই “ওয়াটার বেল” বা “জল ঘন্টা”? আসলে বিদ্যালয়ে আসা পড়ুয়ারা বেশ কয়েক ঘন্টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাটানোর সময়ে পড়াশুনা-খেলাধুলার ফাঁকে ভুলে যায় জল পান করতে।যা তাদের শরীর খারাপ করে চুপিচুপি।এর প্রভাব পড়ে বেশ কয়েক বছর পরে।পড়ুয়াদের নিয়মিত জল পান করাতেই এই “জল ঘন্টা”।যা কিনা নির্দিষ্ট সময় মেনে বাজাবেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।ঘন্টা পড়লেই পড়ুয়াদের পান করতে হবে জল।এর জন্যে থাকবে নজরদারি।ঘন্টা বাজার পর জল না খেলে শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে সেই পড়ুয়াকে।
চিকিৎস্যকরা বলছেন নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর জল পানের অভ্যাস এই পড়ুয়াদের ভবিষ্যতেও বড় সমস্যার থেকে রক্ষা করবে।
ছোট উদ্যোগ কিন্তু এর প্রভাব প্রচুর।মুসলিম গার্লস স্কুলে মুলত আর্থ-সামাজিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের মেয়েরাই শিক্ষা গ্রহন করতে আসে।তাদেরকে নিয়মিত জল পানে উৎসাহী করতে শান্তনু গিরির এই উদ্যোগ নিশ্চিত প্রশংসার যোগ্য।বাঁধা ধরা ছকে বাঁধা জীবনের বাহিরে বেরানোর সাহসই বদল আনে জীবনে-সমাজে







