প্রদীপ কুমার সিংহ :-কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডাক দিয়ে ছিলেন নিজের ভোটার অধিকার জন্য আইডেন্টিটি কার্ড দিতে হবে। এই জন্য ধর্মতলায় মহাকরণ অভিযানের ডাক ২১ জুলাই১৯৯৩ সালে। তখন পশ্চিমবাংলা বামফ্রন্টের সরকার ছিল এবং মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতি বসু। বিভিন্ন জায়গা থেকে যখন কংগ্রেসে এই মিছিল মহাকরণের দিকে এগোচ্ছিল তখন নির্দ্বিধায় পুলিশ এই মিছিলের ওপর প্রথমে কাঁদানে গ্যাস ও পরে গুলি চালায়। যার ফলে ১৩ জন তরতাজা যুবক প্রাণ হারান এই দিন আহত সংখ্যাও নেহাত কম ছিল না। সেই উপলক্ষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যেক বছরই একুশে জুলাইয়ে ধর্মতলা ডাক দেন জনসভার। ২০১১ সালের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার গঠন হয়েছিল পশ্চিমবাংলায় এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন তৃণমূলের সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশে জুলাই এই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে আসে।
একুশে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ধর্মতলায় জনসভার ডাক দেয় প্রতিবছরই। পশ্চিমবাংলায় বিভিন্ন জায়গায় একুশে জুলাই উপলক্ষে কর্মীসভা ও ছোট ছোট জনসভা হয় তৃণমূলের নেতারা তা করে।
রবিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার বারুইপুর পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর তথা বারুইপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান শক্তি রায় চৌধুরী নেতৃত্বে একটি কর্মীসভা হয় উৎসব কমপ্লেক্সে। সেই কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন বারুইপুরে পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্বপন মন্ডল,পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিলু গোঠাগ্রতা,৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নমিতা সদ্দার, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অর্চনা ভদ্র,১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অর্চনা মল্লিক উপস্থিত ছিলেন সঙ্গে প্র ায় ২০০ থেকে ২৫০ তৃণমূল কংগ্রেসে কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এই কর্মী সভায় প্রত্যেক বক্তার বক্তব্য ছিল ১৯৯৩ সালে একুশে জুলাই ঘটনা কর্মীদের সামনে তুলে ধরেন এবংআগামী একুশে জুলাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সবাই ধর্মতলায় যাওয়ার অঙ্গীকার নেন।






