Select Language

[gtranslate]
৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বুধবার ( ১৫ই জুলাই, ২০২৬ )

অবহেলিত শ্রমিকদের শ্রদ্ধা জানাতে “শ্রম ও সৃষ্টির স্মারক সম্মান” প্রদান

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর দুই ব্লকের বড়কুমারদা গ্রামে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের সাক্ষী রইল রবিবার বিকেল। প্রয়াত শিক্ষক বরেন্দ্রনাথ মহান্তির স্মৃতিতে তাঁর বাড়িতেই আয়োজিত হয় “শ্রম ও সৃষ্টির স্মারক সম্মান”।

 

দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা শ্রমজীবি নানা কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁদেরই এদিন পুষ্পস্তবক, উত্তরীয় ও মানপত্র দিয়ে সম্মান জানালেন ‘বরেন্দ্রভবন’ পরিবারের সদস্যরা।

 

সম্মানপ্রাপকদের মধ্যে ছিলেন সুধীর চন্দ্র সিংহ, শ্রী মহেশ্বর মণ্ডল, বিপীন চন্দ্র সিংহ, কার্তিক মাইতি, তপন কুমার সাউ, ভীমাপদ মাইতি, সুবোধ চন্দ্র পাত্র, মারহুম শেখ হামিদুল্লা, মারহুম শেখ কালু ও কালীপদ পাত্র প্রমুখ।

 

এছাড়া মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয় মৃত্যুঞ্জয় দাস,বরেন্দ্রনাথ বারিক,সুরেন্দ্রনাথ পাত্র,গোপীনাথ গিরি,সনাতন দাস,প্রফুল্লচন্দ্র সিংহ,মহেশ্বর মাইতি ওকেদারনাথ দাস প্রমুখের পরিবারের হাতে।

 

পরিবারের অন্যতম সদস্য প্রদীপ কুমার মহান্তি বলেন,

“এই মানুষগুলো না থাকলে আজ আমরা কেউ সমাজেপ্রতিষ্ঠিত হতে পারতাম না। তাঁদের পরিশ্রম, সততা আর নিষ্ঠাই আমাদের জীবনের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোই আমাদের কর্তব্য।”

 

 

 

এই পরিবারের বহু সদস্য শিক্ষক, চিকিৎসক, অধ্যাপক ও নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা হিসেবে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত। পরিবারের আর এক সদস্য অসীম কুমার মহান্তি কলকাতার সুপরিচিত আহেলি পাবলিশার্স-এর কর্ণধার।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য আধিকারিক ডা. অসীম দেওয়ান। তিনি বলেন, “বহু অনুষ্ঠানে গিয়েছি, কিন্তু এমন মানবিক ও হৃদয়স্পর্শী আয়োজন এই প্রথম দেখলাম। এই মহান্তি পরিবার সত্যিই এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করল।”

Related News

Also Read