কেকা মিত্র
মেদিনীপুর জেলার রাঙামাটিতে অবস্থিত ষড়ভূজ নাট্য সংস্থা তাদের ৪০ বছরে পদার্পন উৎযাপন পালন করলো গত 29 নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্র সদনে। ড: তরুন প্রধান এর নির্দেশনায় এবং নৃত্য শিল্পী সুতপা আউন প্রধানের সহযোগিতায় পরিবেশিত হলো ‘লেকে ধারার নৃত্য’ ও ‘বীরযোদ্ধা রায়বেঁশে। লোক ধারার নৃত্য তে মঞ্চস্থ হয় ১১ থেকে ১২ রকমের লোক আঙ্গিকের নৃত্য। পশ্চিমবাংলার উত্তর থেকে দক্ষিন, পূর্ব থেকে পশ্চিম বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ধারার নৃত্য গীত উপস্থাপিত হয়, যেমন-ক নৃত্য, সেচ নৃত্য, পাইক, তাড়িন, লোকগান, পাতা নাচ, নাটুয়া, হান্ডাবাবু, রনপা, জারি নৃত্য প্রভৃতি।

মঞ্চ কাপিয়ে একত্রে অপরূপ অঙ্গ সঞ্চালনা, তেমনই বাদ্য যন্ত্রের চমক, তার সঙ্গে মঞ্চে ধনপতি মন্ডলের আলোর বিন্যাসে এক অপূর্ব মায়াবি পরিবেশের সৃষ্টি করেছিল। ৫০-৬০ জন ছেলেমেয়ে তাদের
লোক ধারার নৃত্যে সকলকে মুগ্ধ করে। এই দিন মঞ্চে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুন চক্রবর্তী, রূদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, পদ্মশ্রী নিরঞ্জন গোস্বামী, তীর্থঙ্কর চন্দ, প্রবীর গুহ সোমনাথ সিনহা, ড. শ্রুতি বন্ধোপাধ্যায়, পদ্মশ্রী কমলিনী আম্মানা।

সংবর্ধিত হলেন স্বপন মাইতি, শুভাশিষ্ম গাঙ্গুলি ও শম্ভু সরেন। অতিথি বরণ ও সম্মাননা জ্ঞাপনের পর ডঃ তরুন প্রধানের নির্দেশনায় সর্বশেষ উপস্থাপনা ছিল ‘বীরযোদ্ধা রায়বেঁশে ” । ভাষ্য ও প্রজেক্টটের মাধ্যমে রায়বেঁশে ইতিহাস কে মঞ্চে উপস্থাপিত করে ১২-১৫ জন ছেলের দল। এই রায়বেঁশে উপস্থাপনা দর্শকদের মধ্যে অদ্ভুত উত্তেজনার সৃষ্টি করে।
ড: তরুন প্রধান তিনি নিজেও রায়বেঁশে তে অংশ নেন । সুতর্পন প্রধানের রনপা সকলের নজর কাড়ে। সমগ্র অনুষ্ঠানের প্রযোজনা নিয়ন্ত্রণের কাজটি করেছেন অনির্বান সরকার, সুরজিত সরকার, বিশ্বজিত।
সব মিলিয়ে জমে উঠেছিলো
ষড়ভুজের এই অনুষ্ঠান।





