ইংরেজী বর্ষের শেষ দিনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার শিল্প শহরে উঠলো বিজেপি গো ব্যাক ধ্বনি।বৈদ্যুতিকরনের কাজে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করায় বিষ্ণুরামচক ও সৌতনচক গ্রামে পুরুষ ও মহিলা বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখায়।সেখানেই ওঠে বিজেপি গো ব্যাক ধ্বনি।
হলদিয়া পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ডের বিষ্ণুরামচক ও সৌতনচক গ্রামে দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও বিদ্যুৎ এসে পৌঁছায় নি ।স্থানীয়দের থেকে জানার পরে গত ৫ ডিসেম্বর তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষে এই দুই গ্রামে যান ।ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে তখনই তিনি বিষয়টি নিয়ে ফোন করেন বিদ্যুৎমন্ত্রীকে। বস্তুত পরদিন থেকে গ্রামে গ্রামে সমীক্ষা ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজ শুরু করে রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর।
রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নির্দেডে বিষ্ণুরামচক ও সৌতনচক গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পরপর খুঁটি পুঁতে ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চালাচ্ছেন বিদ্যুৎ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীরা। কিন্তু শনিবার দুপুরে আচমকা বন্দরের কয়েকজন অফিসার কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে খুঁটি পোঁতার কাজে বাধা দিতে যান।অফিসাররা দাবি করেন, যে মাটিতে খুঁটি বসেছে তা বন্দরের এলাকায়।

কেন্দ্রীয় বাহিনী খুঁটি তুলে দিতে এসেছে জানতে পেরে দুই গ্রামের বাসিন্দারা রাস্তায় ঢাল হয়ে দাঁড়ায়।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে সিপিএম এবং অধিকারীরা দুই গ্রামে বিদ্যুৎ আসতে দেয়নি। সেই প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক এখন বিজেপিরই বিধায়ক। এতদিন যারা বিদ্যুৎ দেয়নি সেই ‘অধিকারী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীও এখন বিজেপিতে।এলাকাবাসীর অভিযোগ ওদের উসকানিতেই এই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অভিযানে নেমেছেন বন্দরের অফিসারদের একাংশ। দল বেঁধে সবাই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিজেপির বিরুদ্ধে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। প্রাক্তন পুরপ্রধান দেবব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে সেই আন্দোলন তীব্র আকার ধারন করলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বন্দরের অফিসারেরা চলে যেতে বাধ্য হয় ।
তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনার সার্থক রূপায়ণ করতে আমরা ওই দুই নিষ্প্রদীপ গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সংকল্প নিয়েছি। বিজেপি চাইছে না এলাকার অন্ধকার কেটে আলো আসুক।






