Select Language

[gtranslate]
৩রা চৈত্র, ১৪৩২ মঙ্গলবার ( ১৭ই মার্চ, ২০২৬ )

কোলাঘাট ফুলবাজারে নতুন কাঠামো নির্মাণ উচ্ছেদের দাবীতে ডেপুটেশন

 

কোলাঘাট ফুলবাজারে নতুন করে কাঠামো নির্মাণের পরিপ্রেক্ষিতে আজ কোলাঘাট ফুলবাজার পরিচালন সমিতির পক্ষ থেকে অবিলম্বে ওই কাঠামো উচ্ছেদের দাবীতে রেল দপ্তরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের নিকট ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি পেশ করা হয়। ডেপুটেশনের প্রতিনিধিদলে ছিলেন সমিতির সভাপতি দেবব্রত কোলে,সহ-সভাপতি অনিল প্রামাণিক,যুগ্ম সম্পাদক দিলীপ প্রামানিক ও বিশ্বজিৎ মান্না, সদস্য বিশ্বজিৎ নায়েক প্রমূখ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,গত ১৫ ই মার্চ কোলাঘাট ফুলবাজারের চাষী-ব্যবসায়ীদের বসার জায়গায় একটি দোকানের কাঠামো তৈরির কাজ শুরু করে কয়েকজন। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ রেল দপ্তরের জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার ও আর.পি.এফ.এর ও.সি.’র দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও আজও সেই অস্থায়ী কাঠামো সরিয়ে নেওয়ার কোন উদ্যোগ নেয়নি রেল কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় আজ সমিতির পক্ষ থেকে দপ্তরের আধিকারিককে ওই কাঠামো উচ্ছেদ সহ আর যাতে কেউ ওই সংকীর্ণ বাজারে কাঠামো নির্মাণ করতে না পারে,সেজন্যে স্মারকলিপি দিয়ে নালিশ জানানো হয়েছে।
কোলাঘাট ফুলবাজার পরিচালন সমিতির উপদেষ্টা তথা সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক অভিযোগ করে বলেন ,রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ফুলবাজারটি মাত্র ১৪৬৯ বর্গ মিটার জায়গার উপর বসে। যেখানে দুই মেদিনীপুর ও হাওড়া জেলার প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার ফুলচাষী প্রতিদিন ফুল কেনাবেচার কারণে আসে।

বর্তমানে এই সংকীর্ণ জায়গায় বসা ফুলবাজারে চাষী-ব্যবসায়ীরা কোন রকমে কষ্ট করে ফুল কেনাবেচা করে। বাজারের পরিধি না বাড়ানোর কারণে বহু চাষী-ব্যবসায়ী জনসাধারণের যাতায়াতের রাস্তার উপরে বসে ফুল কেনাবেচা করতে বাধ্য হয়। এমত অবস্থায় ওই বাজারের মধ্যে নতুন করে কোন কাঠামো তৈরি হলে চাষী-ব্যবসায়ীদের বসার জায়গা আরো ছোট হবে। সেজন্যে আজ সমিতির পক্ষ থেকে রেল দপ্তরের আধিকারিক এর কাছে ডেপুটেশনের আয়োজন করা হয়েছে।

Related News

Also Read