Select Language

[gtranslate]
২৩শে চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৬ই এপ্রিল, ২০২৬ )

দারিয়াপুর কপালকুণ্ডলা মন্দিরে বন্দেমাতরম সংগীতের সার্ধশত বর্ষ উদযাপনে মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা

রবিবার বিকালে দারিয়াপুর কপালকুণ্ডলা মন্দিরে বন্দেমাতরম সংগীতের সার্ধশত বর্ষ উদযাপন করল মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার কাঁথি-এগরা আঞ্চলিক ইউনিট। মন্দির চত্বরে অর্ধ শতাধিক সদস্য সদস্যার উপস্থিতিতে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবন ও সাহিত্য কর্ম আলোচনা করে শ্রদ্ধা জানান প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বিমান বিহারী পয়ড়্যা। প্রাবন্ধিক দীপক কুমার মাইতি দারিয়াপুর বাংলোয় কাপালিক ও বঙ্কিমচন্দ্রের সাক্ষাৎ, কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের পটভূমি ও কাহিনী তুলে ধরেন।

আনন্দমঠ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট এবং বন্দেমাতরম সংগীতের সৃষ্টি ও তার জাতীয় জীবনে যাত্রাপথ নিয়ে আলোচনা করেন প্রাক্তন অধ্যাপক হৃষীকেশ পড়্যা। সব শেষে সকল সদস্য সদস্যা সমবেত কন্ঠে বন্দেমাতরম সংগীত শ্রদ্ধার সাথে পরিবেশন করেন। প্রায় এক ঘন্টার এই অনুষ্ঠানে গ্রামের বহু মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে যোগ দেন। মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার কাঁথি-এগরা আঞ্চলিক ইউনিটের এদিন বহুমুখী কর্মকাণ্ডের এটি ছিল চতুর্থ তথা সর্বশেষ কর্মসূচি। এর আগে সকাল ১০ টায় বগুড়ান জলপাইয়ে এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণীর ৫৩ জন দুঃস্থ ছাত্র ছাত্রীকে স্কুল ব্যাগ সহ নানা শিক্ষা সামগ্রী দেওয়া হয়।

এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাঃ সত্যব্রত বাগ এবং প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ সমরেন্দ্রনাথ দাস। এরপর অনুষ্ঠিত হয় সদস্য সদস্যাদের স্বরচিত কবিতা, ছোটগল্প, প্রবন্ধ এবং সংগীত আবৃত্তি সহযোগে সাহিত্য বাসর। সভাপতি ছিলেন সুজান পত্রিকার সম্পাদক সিতাংশু শেখর দাস, বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক চিত্রকর কবি সোমনাথ মাইতি ছিলেন প্রধান অতিথি এবং সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিলেন মিঠু সিং।

মধ্যাহ্ন ভোজনের পর লাল কাঁকড়ার সৈকত পরিদর্শন শেষে কাঁথি এলাকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান দারিয়াপুর লাইট হাউস পরিভ্রমণ করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সংযোজনা করেন ইউনিটের সম্পাদক বরুন কুমার জানা। সহযোগিতা করেন সুপ্রকাশ মাইতি, রীণা দাস, উমা প্রসাদ নন্দী, বরুন কুমার গিরি, গোপালকৃষ্ণ দাস, রীতা রায় ভূঞ্যা, সুতপা সিনহা প্রমুখ।

Related News

Also Read