তৃণমূল কংগ্রেসের ২৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবসে বিজেপির বড়সড় ভাঙ্গন ধরালো। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি ১ ব্লকের হৈপুর অঞ্চল তৃনমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন ঘিরে জোর রাজনৈতিক তরজা শুরু হল। বৃহস্পতিবার সকালে দলীয় পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন কাঁথি পৌরসভার পৌর প্রধান তথা বিধানসভা নির্বাচনের কো-অর্ডিনেটর সুপ্রকাশ গির।

উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান নিতাই দাস, কাঁথি ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুনীত পট্টনায়ক, কাঁথি ১ পঞ্চায়েত সমিতি বিরোধী দলনেতা তথা আই এন টি টি টি ইউ সি র রাজ্য সম্পাদক আমিন সোহেল, কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সংখ্যালঘু ছেলের সভাপতি তথা জেলা পরিষদ সদস্য শেখ আনোয়ার উদ্দিন, প্রদীপ দলাই, অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি গৌতম কুমার জানা, দীপঙ্কর মাইতি, অনুপমা বেরা, অনুশ্রী জানা, সৌমিতা গিরি, খুকু রানী ঘোড়াই, লক্ষী জানা, প্রদীপ দত্ত, সুশান্ত পাত্র, পূরবী মাইতি,ও অন্যান্য সদস্য।
এই সভা মঞ্চে অঞ্চল সভাপতি গৌতম কুমার জানা তত্ত্বাবধানে হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হৈপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধানেশবরী বুথের সদস্যা রিনা মন্ডল এর সঙ্গে বিভিন্ন বুথ থেকে আগত ৫০ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগদান করলেন।তৃণমূলের দলীয় পতাকা যোগদানকারীদের হাতে তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানাল সুপ্রকাশ গিরি। এই সভা মঞ্চ থেকে প্রায় দুই শতাধিক মানুষকে শীত বস্ত্র উপহার দেওয়া হয়।
পাশাপাশি এলাকাবাসীর মঙ্গল কামনা করা হয়। উপস্থিত নেতৃত্ব গন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠার বৃত্তান্ত ও সংগ্রাম লড়াইর উদাহরণ তুলে ধরেন। আগামী ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে জয়ী করে মমতা ব্যানার্জিকে চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করার অঙ্গীকার করা হয়। কর্মীদের ঐক্যমতে ভোটযুদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়। পঞ্চায়েত প্রধান নিতাই দাস বলেন মানুষ বিজেপির থেকে দূরে সরে আসছে। তাই বিজেপির দখলে থাকা পঞ্চায়েত তৃণমূল দখল করেছে। চুরির দায়ে ২১ মাসের মাথায় পঞ্চায়েত প্রধানকে পথ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে। যোগদানকারী রিনা মন্ডল বলেন মমতা ব্যানার্জির উন্নয়নে সামিল হওয়ার জন্য যোগদান করেছি। তিনি বলেন বিজেপির কোন উন্নয়নে চিন্তা-ভাবনা নেই। সেই কারণেই দল ছাড়লাম। ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুনীল পট্টনায়ক বলেন এভাবেই বিজেপি দলের ভাঙ্গন ধরবে।
আগামী ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভার বিধায়ক তথা বিজেপি নেতৃত্ব অরূপ কুমার দাস বলেন রিনা মন্ডলের স্বামীকে মিথ্যা কেসে ফাঁসিয়ে চাপ সৃষ্টি করে দলে নেওয়া হয়েছে। এই চাপ তিনি নিতে পারেননি। এখানে ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার বিষয়। এতে দলের কোনো ক্ষতি হবে না।





