বাংলা নতুন বছর শুরুর এক দিন আগে শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সৈকত শহর দিঘার একটি হোটেল থেকে বেঙ্গালুরুর ক্যাফেতে আইইডি বিস্ফোরণ কান্ডে জড়িত দুজন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও এনআইএ এর আধিকারীকেরস।
ধৃতদের একজনের নাম আব্দুল মতিন ত্বহা এবং মুসাভির হোসেন সাজিদ। তাদের নিজেদের হেফাজতে নেয় তদন্তকারি সংস্থা এনআইএ। সেই ঘটনার দিঘায় বেড়াতে আসা পর্যটকেরা কিংবা হোটেল কর্তৃপক্ষ কি ভাবছেন ?
সৈকত শহরের বিভিন্ন হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি ইদ থেকেই দিঘায় পর্যটকদের ভীড় জমেছে।বহু পর্যটকের সমাগম ঘটছে।তার মাঝে দুই জঙ্গি গ্রেফতার হওয়ায় সাময়িক একটু চিন্তা হলেও বাংলার নতুন বছরে তার কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন হোটেল কর্তৃপক্ষ।
এম স্কয়ার ও এজিএম গ্রান্ড হোটেলের মালিক নন্দন চক্রবর্তী জানান, গতকালের ঘটনায় পর্যটকদের মনে ভয় ভীতির কোনো প্রভাব পড়বে বলে মনে করছি না।ইদ থেকে পর্যটকের ভালোই ভীড় রয়েছে। আশাকরি আগামীকাল বাংলার নতুন বছর রবিবার ছুটির দিনে পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে।
অন্যদিকে নিউ দিঘা ইন্টারন্যাশনালের কর্তৃপক্ষ কার্তিক মান্না জানান, কিছু কিছু হোটেলের উদাসীনতার কারনে মাঝে মধ্যেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ গুলিকে আরও সজাগ ও সচেতন হতে হবে। গতকালের ঘটনায় সাময়িক মানুষের মনে দাগ কাটলেও আগামী দিনে তার কোনো প্রভাব পড়বে না। শনি ও রবি ছুটি তার মাঝে রবিবার বাংলার নতুন বছর। আগের থেকে ভীড় বাড়বে বলে তো কমবে না এটা আমার আশা।
হোটেল কর্তৃপক্ষ দুই জঙ্গি গ্রেপ্তারের পর পর্যটকদের মধ্যে তার কোনো প্রভাব পড়ার কথা না বলেও পর্যটকেরা সাংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি জেনেছে।পর্যটক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।তবে দুই জঙ্গী গ্রেফতারের জেরে দিঘায় বেড়াতে আসা বন্ধ করে দেওয়া কিংবা অন্যদের দিঘায় আসতে বারন করার মত কিছু ঘটেনি বলেই পর্যটক মহলের দাবি ।






