অবৈধ বাজি বিক্রি, শব্দ দূষণ রোধ পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময় পুলিশ অভিযান চলায়। অবৈধ বাজীর অভিযানে নেমেই বড়সড় সাফল্য। বুধবার রাতভর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে অবৈধ শব্দবাজি, বাজী তৈরির মশলা,সহ একজনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ধৃত যুবক ধর্মদাসবাড় এলাকার বাসিন্দা কমল মাইতি। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তার জামিন নাকচ করে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাঁথি থানায় সাংবাদিক বৈঠক করেন কাঁথির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( গ্রামীণ ) শুভেন্দ্র কুমার। উপস্থিত ছিলেন কাঁথি মহাকুমা পুলিশ আধিকারীক দিবাকর দাস, কাঁথি থানার আইসি প্রদীপ কুমার দান ও কাঁথি টাউন অফিসার প্রণব বেরা সহ অন্যান্য পুলিশের আধিকারিকেরা। ২১০০ কোজি ওজনের বাজি উদ্ধার হয়। উদ্ধার সামগ্রীর বাজার মূল্য ১০ লক্ষাধিক টাকা বলে অনুমান । অভিয়ুক্ত’কে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। কোথা থেকে আসে, কোথায় পাচার হয়। গোডাউন থেকে পাচারের বৃত্তান্ত সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, কাঁথি শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় দোকানের পাশে অস্থায়ী গুমটি করে চড়া দামে বাজি বিক্রি করতো বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় কাঁথি শহরে কুমারপুরে অমর্ত্য পল্লীর উল্টো পাশে একটি গোডাউন ভাড়া নিয়ে বিপুল পরিমাণের বাজি ও মশলা মজুদ করে রেখেছিল। বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই গোডাউনে অভিযান চালান। কাঁথি মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক দিবাকর দাস, কাঁথি থানার আইসি প্রদীপ কুমার দান ও কাঁথি থানার টাউন অফিসার প্রণব বেরার নেতৃত্বে গোডাউনে তল্লাশি চালানো হয়। বস্তার পর বস্তা মজুত রাখা ছিল বাজি ও বাজি তৈরির মশলা ও বারুদ। একটি ছোট লরিতে করে গোডাউন থেকে বাজি ও বারুদ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এরপাশাপাশি একজনকে গ্রেফতার করে। কাঁথি থানা সূত্রে খবর, ১০০ বস্তা ( জল বোম বলে পরিচিত ) , কয়েক বস্তা বারুদ, বাজি প্রস্তুত কারক কিছু মশলা বাজেয়াপ্ত করা হয়। কাঁথির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( গ্রামীণ ) শুভেন্দ্র কুমার বলেন ” গোটা ঘটনার তদন্তে জন্য অভিয়ুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার আরও কেউ য়ুক্ত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






