আমি গায়ের পান্তা খাওয়া ছেলে। আমাকে হারাতে এসেছিলেন। আমি আপনাকে হারিয়ে পাঠিয়েছি। পা ভাঙ্গেনি আপনি পায়ে ব্যান্ডের চড়িয়ে পা ভাঙ্গার নাটক করে গোটা বাংলার মানুষকে টুপি পড়িয়েছেন, নন্দীগ্রামের মানুষ টুপি পড়েনি।
এবার আমি ভবানীপুরে যাচ্ছি, মোদি জি পাঠিয়েছেন, এবার আপনারা নন্দীগ্রামের দায়িত্ব নেন ভবানীপুর টা আমি দেখে নেব। আত্মীয়র চুক্তি হলো ভালোবাসার চুক্তি।
আপনারা বুঝেছেন একুশে, আজ বাংলা বুঝতে পারছে। নন্দীগ্রামের ৩ ০০০ মুসলিম ছেলে মহারাষ্ট্রের কাজ করে, আপনাদের ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার। হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ, এটাই আমাদের অঙ্গীকার। নন্দীগ্রামটা আপনারা দেখে নেবেন মাঝেমাঝে দেখা হবে। ভবানীপুরে কেমন চোর কি কাটাতে হয় ! আমার নাম শুভেন্দু অধিকারী।
মেদিনীপুরের ছেলে মাথা নিচু করে না। ডরনে বালা নেহিহে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়া তে কর্মী সভা থেকে বললেন শুভেন্দু অধিকারী।





