বার্থের কাজ বন্ধ দুই ঠিকাদারের বিবাদের জেরে,আর এর কারনে হলদিয়া বন্দরকে কয়েক লক্ষ টাকা লোকসান বহন করতে হচ্ছে।সেই সাথে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে শ্রমিকদেরকেও।

হলদিয়া বন্দরের ১৩ নম্বর বার্থ।ঠিকাদারদের কাজের জটিলতা জন্য কাজ বন্ধ রয়েছে।দীর্ঘ সময় জাহাজ দাঁড়িয়ে থাকলো।দীর্ঘ সময় ধরে কাজ বন্ধ থাকায় ঠিকা শ্রমিকরা চিন্তায় পড়েছেন।উপার্জন নেই ।এর পাশাপাশি কয়েক লক্ষ টাকা লোকসান বন্দরের।
সূত্রের খবর ফাইভ স্টার গ্রুপ গ্রুপ অফ কোম্পানি ১৩ নম্বর বার্থে টেন্ডার এর মাধ্যমে কাজ পেয়েছিল। বর্তমান কার্গোপুল শ্রমিকদের বেশীর ভাগেরাই বিভিন্নভাবেই রিপ্লে কোম্পানির সহযোগী অ্যারো কোম্পানি আন্ডারে রয়েছে। তাই জাহাজ থেকে মাল খালাসে সমস্যা তৈরী হচ্ছে।

সিআইটিইউ রিজিওনাল কমিটির অন্যতম নেতৃত্ব অচিন্ত্য শাসমল বলেন ২০১১ সাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতা আসার পর থেকেই হলদিয়া বন্দরের কাজ নিয়ে টালবাহানা শুরু হয়েছিল। এবিজেকে তাড়ানোর মধ্য দিয়ে এখনো সেই ট্র্যাডিশান রয়েছে। শ্রমিকদের স্বার্থ না দেখেই ঠিকাদারদের স্বার্থই বেশি দেখছে বর্তমান সরকার। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।

ফাইভ স্টার গ্রুপ অফ কোম্পানির কর্ণধার শেখ মোজাফফর বলেন ফাইভস্টার কাজ পেয়েছে, ফাইভ স্টার এই কাজ করবে। যেকোনো ভাবে যথাসময়ে জাহাজে খালি করাই হবে মুল কাজ। আমরা নিয়ম মত কাজের টেন্ডার পেয়েছি, কাজ করতে বাধা দিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ । আমরা কাজ করতে রাজি আছি। ফাইভস্টারের ব্যানারেই ১৩ নম্বর বার্থে যতদিন পর্যন্ত টেন্ডার রয়েছে ততদিনই কাজ করবে।
আইএনটিইউসি জেলা সভাপতি শিব নাথ সরকার বলেন দুই ঠিকাদারের কাজ কে করবে এই নিয়েই বিতর্ক। জাহাজ দাঁড়িয়ে রয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি যত শীঘ্র পারুক এই সমস্যায় মিটিয়ে নিক ।তিনি স্বীকার করে নিলেন দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকায় লোকসান হল বন্দরের।






