Select Language

[gtranslate]
১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ মঙ্গলবার ( ৩০শে জুন, ২০২৬ )

সিলভার পয়েন্ট স্কুলের রজতজয়ন্তী বর্ষ উদযাপন ।।

বালিগঞ্জ-কসবা অঞ্চলের বসবাসকারী সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার জন্য ১৯৯৭ সালের ২৬ জুলাই সিলভার পয়েন্ট স্কুল চালু করা হয়েছিল। প্রয়াত পান্নালাল রায়চৌধুরী এবং বাণী রায়চৌধুরীর মাত্র ৪ জন ছাত্র নিয়ে শুরু করা স্কুলের বর্তমান ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১৫০০ জন।

বর্তমান বছরে সিলভার পয়েন্ট স্কুল ২৫ বছর অর্থাৎ রজত জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করল।সেই উপলক্ষ্যে মধুসূদন মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল রজত জয়ন্তী বর্ষের অনুষ্ঠান। দুই অর্ধের এই অনুষ্ঠানে সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্বর্ধনা ও স্কুলের ছাত্রছাত্র ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।



অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার অব এক্সেলেন্সি সিবিএওসি ভুবনেশ্বর ডঃ অখিলেশ কুমার, রামকৃষ্ণ মিশন ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এর স্বামী বেদাতিতানন্দ ও রামকৃষ্ণ মিশন এর স্বামী সুপর্ণানন্দ মহারাজা।

সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। তারা হলেন জ্যোতির্পদার্থবিদ এবং শিক্ষাবিদ ডঃ দেবীপ্রসাদ দুয়ারি, চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য, দাবাড়ু দিব্যেন্দু বড়ুয়া, ওডিশি নৃত্যশিল্পী অলকা কানুনগো, বাণী রায়চৌধুরী সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের।

স্কুলের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সমাজের বিভিন্ন স্তরের ২৫ জন গুণি ব্য়ক্তিবর্গকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন যাঁরা বছরব্যাপী স্কুলের তরফে নানা সাহায্য পেয়েছেন। পারমিতা বেরা (অ্যাসিড হামলার শিকার), ৪ জন নারী যাঁরা জীবনে প্রতিদিন শিক্ষার মাধ্যমেই জীবন সংগ্রামে ব্রতী রয়েছেন। স্কুলের ৪ জন শিক্ষার্থী প্রবল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে স্কুলের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছেন। এছাড়া আরও ১৬ জনকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।



বিনোদনের অংশ হিসেবে “আজাদি কা অমৃত মহোৎসব” উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘ত্রিশক্তি’ নামে একটি কোরিওগ্রাফি প্রদর্শিত হয় স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পরিবেশনায়। এই আখ্যানটি আমাদের দেশের তিনটি দিক— স্বাধীনতা, উন্নয়ন এবং শক্তিকে চিত্রিত করেছে।

Related News

Also Read