Select Language

[gtranslate]
২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

এগরায় উচ্চ-মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছ জ্ঞাপন তৃণমূলের 

বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা। তবে চলতি বছরটি শিক্ষা ইতিহাসে একটু আলাদা, কারণ এই প্রথম উচ্চ-মাধ্যমিকে চালু হলো ‘সেমিস্টার’ পদ্ধতি। নতুন এই ব্যবস্থার প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কাটাতে এবং উৎসাহ দিতে এক অনন্য নজির গড়ল এগরা-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল।

এ দিন সকাল থেকেই এগরার প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ছিল পুলিশের কড়া নিরাপত্তা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা-১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের উদ্যোগে রাসন হাইস্কুলের কেন্দ্রে ঢোকার মুখে পরীক্ষার্থীদের হাতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় জলের বোতল ও কলম। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগে তৃণমূলের এই ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’ আচরণে খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবক— সকলেই।

 

এক নজরে পরিসংখ্যান:

 

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এ বার পূর্ব মেদিনীপুরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরাই কয়েক কদম এগিয়ে।

 

মোট পরীক্ষার্থী: ৪১,৫৬৯ জন।

ছাত্রী: ২৩,২৬৩ জন।

ছাত্র: ১৮,৩০৬ জন।

মোট পরীক্ষা কেন্দ্র: ৭১ টি।

জেলায় ছাত্রীদের সংখ্যা ছাত্রদের তুলনায় প্রায় ৫ হাজার বেশি। শুধু এগরা নয়, গোটা জেলা জুড়েই নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের প্রবেশপথে বসানো হয়েছে ‘মেটাল ডিটেক্টর’। পরীক্ষা চলাকালীন কোনও পড়ুয়া যদি রাস্তায় যানজটে আটকে পড়ে, তবে খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশি তৎপরতায় তাকে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

 

উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা যুগ্ম-আহ্বায়ক সমীর ভৌমিক জানান, “২০২৩ সালের পরীক্ষার্থীরা ২০১৭ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল। সে সময় বয়সসীমা বেঁধে দেওয়ায় গত বছর পরীক্ষার্থী কিছুটা কম থাকলেও, এ বছর সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে মেডিকেল টিম ও পর্যাপ্ত পুলিশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”

 

এগরা-১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের এই মহতী উদ্যোগ প্রসঙ্গে প্রধান উদ্যোক্তা তথা ছত্রী অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি তরুণ কুমার কর মহাপাত্র জানান, “পরীক্ষার্থীরা আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে ও দুশ্চিন্তামুক্তভাবে কাটে, তার জন্যই এই ছোট প্রয়াস। যে কোনও সমস্যায় আমরা ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর।” তবে এদিন এগরা-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি সত্য চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আমরা উচ্চমাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। আমরা তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সাফল্য কামনা করি। আমরা তাঁদের জলের বোতল এবং কলম তুলে দিয়েছি। পাশাপাশি, অভিভাবক ও অভিভাবকদের আমরা বসার বন্দো

বস্ত করে দিয়েছি।

 

Related News