পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার হাউর অঞ্চলের দশাং গ্রামের ধান চাষের বেহাল অবস্থা।
দীর্ঘদিন ধরে চাষের জমিতে হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে থাকার কারনে ধান চাষ করতে পারেনি ওই এলাকার বহু চাষী।
কেউ কেউ আবার আশায় বুক বেঁধে আমন ধান চাষ করেছিলেন, শীতের মরশুমে চাষের ধান মাঠ থেকে তুলে উঠোনে আনতে পারবে, কিন্তু দশাং গ্রামে একপ্রকার পাকা ধানে মই পড়ল চাষীদের। বর্ষা পেরিয়ে পাঁচ ছয় মাস কেটে গেলেও বর্ষার জল এখনো হাঁটু সমান দাঁড়িয়ে রয়েছে চাষের জমিতে। আর তাতেই মাথায় হাত পড়েছে এলাকার চাষীদের।

হাঁটু সমান জলের তলায় ভেসে গিয়েছে পাকা ধান, চাষ করেও ঘরে তোলার মত সুযোগ পাচ্ছে না চাষীরা। বিঘার পর বিঘার চাষের জমি আজও হাঁটু সমান জলের তলায়। জল নিকাশি খাল থাকলেও তাতে নানান আবর্জনা ফেলার কারনে চাষের জমির জল পাশ হয় না। জল নিকাশি খালে পাশের গ্রাম আঠাং এর মুরগি দোকানিরা আবর্জনা এসে ফেলে যায়। আর তার পাশাপাশি জঞ্জাল আবর্জনা ভর্তি থাকার কারণে জল নিকাশি খাল অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
যার ফলে চাষের জমির জল ঠিকমতো পাস না হওয়ায় জল দাঁড়িয়ে থাকে বছরের পর বছর।
এমনই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে ওই গ্রামের ধান চাষীদের।

শাসক দলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি মুফলেশ্বর দত্ত তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা বলেন চাষীদের জন্য আমাদের সরকার নানা ভাবে সাহায্য করছে, কৃষক বন্ধু থেকে শুরু করে নানান সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে চাষীরা। ওই এলাকায় এমন যদি কোন সমস্যা হয়ে থাকে তা নিশ্চিত বিডিও সাহেব বা প্রশাসনিক কর্তারা পরিদর্শন করবেন।
তবে এ বিষয়ে তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদিকা স্বাগতা মান্না কটাক্ষ করে বলেন আমাদের যে রাজ্য সরকারের যে মুখ্যমন্ত্রী রয়েছে তিনি কোনদিনই চাষীদের দিকে দেখেন না। গোটা রাজ্যটাকে উনি জলের তলায় পাঠিয়ে দিয়েছেন। চাষিরা আত্মহত্যা করলে মুখ্যমন্ত্রীর ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে বলেন পারিবারিক সমস্যার কারণে চাষিরা আত্মহত্যা করেছে এমনটা জানালেন তিনি।






