অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা প্রমানের ধারপাশ দিয়ে গেলেন না শুভেন্দু অধিকারী।সাড়ে তিনটায় সভায় এসে সাড়ে চারটার সময় ভাষন রাখতে উঠে পুরানো ক্যাসেটের দুই চার লাইন বলেই থামলেন শুভেন্দু।আর এর জেরে শাসক দল তৃনমূলের কটাক্ষ ফাঁকা মাঠে আর কাকে কি বলবে শুভেন্দু ।

গত ৩ ডিসেম্বর শান্তিকুঞ্জ থেকে ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজের মাঠে সভা করেন তৃনমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারন সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সেই সভাতেই শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি নাম না করে তাঁর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেন।সেই সাথে তৃনমূলের টিকিটে জয়ী তাঁর বাবা কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী ও ভাই তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বিজেপির সাথে যোগাযোগ রাখছে বলে অভিযোগ করেন । নীতি শিক্ষার পাঠ দিয়ে এদের সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়েছিলেন অভিষেক।

সেই সাথে শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ১৫ দিনের মধ্যে তাঁর সাথে মুখোমুখি বসার।কাঁথির মানুষের সামনেই শুভেন্দু অধিকারী আর তার পরিবারের কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির মুখোশ খুলে দেওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছিলেন অভিষেক।তার পরেই ২১ ডিসেম্বরের এই সভা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার পাল্টা বলে প্রচার শুরু করেছিলো বিজেপি।
কাঁথির রেল স্টেশন সংলগ্ন এই ছোট মাঠে নিজের ভাষনের শুরু থেকে রাজ্য সরকার,পুলিশ,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমন করেন শুভেন্দু।আবাস যোজনা সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সোচ্চার হন ।কিন্তু অভিষেকের তোলা অভিযোগ কিংবা নীতি শিক্ষার বিষয়ে মুখ খুলতে দেখা যায়নি তাঁকে।

এর পরেই শুভেন্দুকে তীব্র কটাক্ষ করেন তৃনমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি।ছোট মাঠে সভা করেও চেয়ার ভর্তি করতে পারেনি শুভেন্দু অধিকারী।মানুষ ওদের সাথে নেই ।বিজেপি আর শুভেন্দুর বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সাধারন মানুষ।
সুপ্রকাশ দাবি করেন এই ছোট মাঠ ভরাতেও পাশের জেলা ও রাজ্য থেকে গাড়ী করে লোক আনতে হয়েছিলো অধিকারীদের।তৃনমূলের গড় কাঁথি ওদের ত্যাগ করেছে।তাই কোন লজ্জায় আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা অভিযোগের উত্তর দেবে ।সেই সাথে অধিকারীদের কোন নীতি নৈতিকতা নেই বলেও কটাক্ষ করেন সুপ্রকাশ।






