গত বেশ কয়েকদিন ধরে নিম্নচাপজনিত বৃষ্টির কারণে ফুলের উৎপাদন খানিকটা ব্যহত হয়েছে। অন্যদিকে নিম্নচাপের পূর্বে কয়েক মাস ধরে তাপ প্রবাহ এর কারণে ফুলের উৎপাদন ভীষণভাবে ব্যাহত হয়েছিল। সব মিলিয়ে ফুলবাজারে ফুলের জোগান তুলনামূলকভাবে খানিকটা কম।
পাশাপাশি বাংলার প্রায় প্রতিটি ঘরেই আজকের দিনে যন্ত্রের দেবতা পূজিত হওয়ায় বাজারে যোগানের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় ফুলের দাম অনেকটাই বেশি বলে জানান সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক। এছাড়াও আগামীকাল গনেশ চতুর্থী থাকায় ফুল এ রাজ্য ছাড়াও ভিনরাজ্যে সরবরাহ করা হচ্ছে।
পাইকারী বাজারে আজকে ফুলের দর ছিল-
রজনীগন্ধা প্রতি কেজি ৪০০-৪৫০ টাকা ,প্রতি কেজি
গোলাপ ২৫০ – ৩৫০ টাকা,কুড়ি পিসের একশো
গাঁদা মালা(লাল)-৭০০ টাকা,কুড়ি পিসের
গাঁদা মালা(হলুদ)- ৮০০ টাকা,প্রতি কেজি
গাঁদা ঝুরা-১৫০ টাকা,প্রতি কেজি
দোপাটি – ১০০ টাকা,প্রতি কেজি
অপরাজিতা -১০০ টাকা,প্রতি কেজি
জবা- ৮০ টাকা,২০ পিস
আকন্দ-১০০ টাকা,প্রতি পিস
পদ্ম – ৮ টাকা
নারায়ণবাবু বলেন,কলকাতার মল্লিকঘাট ফুলবাজার সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বৃহত্তম কোলাঘাট,দেউলিয়া সহ বিভিন্ন ফুলবাজারে আজ ওই কারনে বেশ চড়া দামে ফুল বিক্রি হয়েছে।







