Select Language

[gtranslate]
১৪ই চৈত্র, ১৪৩২ শনিবার ( ২৮শে মার্চ, ২০২৬ )

সরকারি স্বীকৃতির দাবিতে দেশপ্রাণ ভিলেজ হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের  বার্ষিক সম্মেলন

দেশপ্রাণ ভিলেজ হেলথ এসোসিয়েশন এর অষ্টম বার্ষিক ব্লক সম্মেলন থেকে দাবি উঠলো সরকারি স্বীকৃতির। রবিবার সকালে সংগঠনের পতাকা উত্তোলন ও প্রদীপ প্রজননের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয় দেশপ্রাণ ব্লকের মুকুন্দপুর ভূপেন্দ্র প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে । প্রদীপ প্রজ্জলন করেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ভিলেজ হেলথ এসোসিয়েশনের সভাপতি মহেশ্বর পাত্র। উপস্থিত ছিলেন কাঁথির দেশপ্রাণ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অমলেন্দু জানা, জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মাধ্যক্ষ তরুণ কুমার জানা, পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ গীতা মাইতি, দুবদা উত্তর হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এদিনের সঞ্চালক  দীনেশ দাস,বসন্তিয়া গ্রামীণ হাসপাতালের পাবলিক হেলথ নার্স দেবিকা বর্মন,আঁউরাই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান স্বপ্না দাস, সরদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ভবানী কর, দারিয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অসীমা জানা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ভিলেজ হেলথ অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সম্পাদক ভগিরথ প্রধান, স্বপন ঘোড়াই, অজিত দাস, সুশীল আদক, অমরনাথ সাউ, নারায়ণ চন্দ্র শীট প্রমুখ। এই সম্মেলনে বার্ষিক প্রতিবেদন এবং হিসাব পাঠের উপরে আলোচনা করেন উপস্থিত সদস্যবৃন্দ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ভিলেজ হেলথ অ্যাসোসিয়েশন এর সম্পাদক গোবিন্দ প্রসাদ কান্ডার বলেন আগামী দিনের পথ চলার নির্দেশিকা তৈরি করা হয় এই সভা মঞ্চ থেকে। এই সভামঞ্চে আলোচিত হয় পেশাগত সমস্যা নিয়ে।

দাবি উঠে গ্রামীণ চিকিৎসকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকারী স্বীকৃতি প্রদানের । কারণ গ্রামের স্বাস্থ্যপরিষেবা গ্রামীণ চিকিৎসক দের ভূমিকা অপরিসীম। রাত বিরেতে স্বাস্থ্যপরিসেবা গ্রামীন চিকিৎসক রাই দিয়ে থাকেন। গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার একমাত্র ভরসা গ্রামীণ চিকিৎসক বলে দাবি করে সংগঠন। আগামী দিনে সরকারিভাবে উন্নত প্রশিক্ষণ এবং দাবিতে আন্দোলনে নামার রূপরেখা তৈরি করা হয়।

Related News

Also Read