Select Language

[gtranslate]
২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

উদ্বোধন হলো বহু প্রতীক্ষিত ইউনিটি মালঞ্চর বিনোদিনী মঞ্চের পর্দা

কেকা মিত্র 

 

বাংলা থিয়েটারের ইতিহাসে আবার নবজাগরণ । হালিশহর

মালঞ্চ তে ২০২৫ এর শেষদিনে অর্থাৎ বছরের শেষ দিনে ৩১ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬ নতুন বছরের প্রথমদিন সন্ধ্যায় অর্থাৎ দুদিন ধরে উদ্বোধন হয়ে গেলো ২৫০ টি আসন বিশিষ্ট শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এক অসাধারণ সম্পূর্ণ আধুনিক থিয়েটারের হল বিনোদিনী মঞ্চ।

এই হলের মূল কান্ডারী হলেন ইউনিটি মালঞ্চ র কর্ণধার, নাট্য

নির্দেশক ও অভিনেতা দেবাশিস

সরকার এবং বাবলু চৌধুরী। এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন এই হলে তিনটি সাজ ঘর, দুটি টি প্রদর্শনী শালা , সেমিনার হল, লাইবেরি, টিকিট ঘর, টি স্টল, ছোটো বাগান, গাড়ি পার্কিং এর সুবিধা,

মঞ্চের দুপাশে বিস্তর জায়গা, সম্পূর্ণ আধুনিক টয়লেট সহ সুসজ্জিত হলের দূরত্ব হালিশহর

স্টেশন থেকে হাটা পথে মাত্র ৪ মিনিট। দেবাশিস বাবু আরো জানালেন এই হল আমাদের স্বপনের নির্মাণ। যখন কলকাতায় হলের খরচ বেড়ে গেলো, নাটক করার জন্য হল এর সমস্যা, বিশেষ করে করোনা

মহামারীর পর আমাদের সকলের কাছে বিশেষ করে মফস্বল এর নাট্য দলের কাছে কলকাতায় গিয়ে থিয়েটার করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। সেই জন্য এই হলের পরিকল্পনা করা।

দীর্ঘ ৫ বছরের প্রচেষ্টায় এই হল আমরা করতে পারলাম। সেই সঙ্গে ইউনিটি মালঞ্চ ৪৪ বছর ধরে নাট্য চর্চা করে আসছে । সাড়া ভারতবর্ষে আমরা নাটক করেছি। করে চলেছি আজও।

এই হল বিনোদিনী মঞ্চ উদ্বোধন করলে জনপ্রিয় পরিচালক ও অভিনেত্রী মানসী সিনহা, উপস্থিত ছিলেন সংসদ ও অভিনেতা পার্থ ভৌমিক। ছিলেন

নাট্যকার চন্দন সেন, অভিনেতা ও নাট্য নির্দেশক মেঘনাদ ভট্টাচার্য্য, শিব মুখোপাধ্যায়, বিমল চক্রবর্তী, তীর্থঙ্কর চন্দ্র, নৈহাটির বিধায়ক সনৎ দে, বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী,কাঁচরাপাড়া পৌরসভার পুরৌপ্রধান কমল অধিকারী, রঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায়, আশিস চট্টোপাধ্যায় ,আশিস দাস, সমর চট্টোপাধ্যায়, রাজা গুহ ও ২০জন বিশিষ্ট নবীন-প্রবীন অভিনেত্রী।

সঞ্চালনায় ছিলেন অয়ন্তিক ঘোষ ও দীপক মিত্র।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ও ১জানুয়ারী ২০২৬ এই দুদিন ধরে মঞ্চস্থ হয় ইউনিটি মালঞ্চর দুটি করে মোট চারটি নতুন নাটক।

সব মিলিয়ে বাংলা থিয়েটারের জগতে ইউনিটি মালঞ্চর এই প্রয়াস এক কথায় সাধুবাদ যোগ্য।

Related News

Also Read