Select Language

[gtranslate]
২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ শুক্রবার ( ১২ই ডিসেম্বর, ২০২৫ )

বিজেপির বুথ সভাপতিকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ

প্রদীপ কুমার সিংহ

 

বিজেপির বুথ সভাপতিকে পিটিয়ে মারার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর পৌরসভার

১৫ নম্বর ওয়ার্ডের উকিলপাড়া (মন্ডলপাড়া)এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম রাজীব বিশ্বাস (২২) ।

বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয় বারুইপুর মিউনিসিপ্যালিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের ১২৯ নং বুথের সভাপতি। বিজেপির বারুইপুর এক নম্বর মণ্ডলের সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী অভিযোগ করে ৮আগস্ট রাত্রে বিজেপি পার্টি করার অপরাধে রাজীব কে তাঁর বাড়ীতে প্রচন্ড ভাবে মারধোর করে এবং মাথায় মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয় ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। রাজিবের বাবা ও ভাই।চিকিৎসা না করিয়ে বাড়ীতে অচেতন অবস্থায় ফেলে রাখে এবং ইংরাজী ৯ই আগস্ট রাজীব আহত অবস্থায় বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। এই খবর বারইপুর থানায় গেলে বারুইপুর থানার পুলিশ রবিবার রাজিবের নিথর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় । অভিযোগ রাজীব বিশ্বাস বাবা নিতাই বিশ্বাস,ছোট ছেলে সন্দ্বীপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে । গৌতম চক্রবর্তীর আরো অভিযোগ বাবা ও ছোট ভাই তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। বিজেপির অভিযোগ রাজীবদের বাড়িটা নাকি প্রমোটিং করার জন্য এই সমস্যা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা বন্দনা বিশ্বাস বলেন ওদের বাড়িতে প্রায় দিনই দুই ছেলে ও বাবার ঝগড়া হতো। বাবা ও দুই ছেলে মদ ও গাঁজা খেতো। রাতের বেলায় তাদের সঙ্গে প্রায় দিন ঝগড়াও অশান্তি লেগে থাকত। তবে শুক্রবার রাত দুটো আড়াইটা নাগাদ তাদের বাড়িতে খুবই অশান্তি হয় এবং কান্নাকাটি আওয়াজ পাওয়া যায়।। আমরা আর যাইনি পরে শুনি শনিবার রাত্রে রাজীবকে নিয়ে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে যায়। সেখানে মৃত বলে ঘোষণা করে ডাক্তার। তবে রাজীব বিশ্বাস ও তার ভাই সন্দীপ বিশ্বাস তাদের অনেক বন্ধুবান্ধব ছিল তাদের মোটর গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করত।

বারুইপুর পৌরসভার সূত্রের খবর রাজীবদের বাড়ি ২০১৮ সালে আবাস যোজনা প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়। তার জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রথম কিস্তি পেয়েছিল বাড়ি তৈরি করার জন্য। কিন্তু সেই আবাস যোজনার জন্য বাড়ি তৈরি করার কাজ তারা কিছুই করেনি।

যদিও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর মাতা অর্চনা মল্লিক বলেন শনিবার রাতে আমার কাছে রাজীব বিশ্বাসের ভাই ও তার আত্মীয়রা এসেছিলেন এবং বলেন রাজীব আহত অবস্থায় বাড়িতে পড়ে আছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসার ও চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন। তবে এই ঘটনায় তৃণমুলের কোন যোগ নেই। পুরোটাই পারিবারিক বিষয়। তিনি আশা করেন পুলিশ যাতে দোষীদের খুঁজে বার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করে। রাজীবদের বাড়িটা এখন তালা অবস্থায় পড়ে আছে। সেখানে কেউ নেই।

বারুইপুর থানার পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে।

Related News

Also Read