Select Language

[gtranslate]
২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

হেলমেটের সূত্র ধরে খেজুরীর অজয়ার খুনের কিনারা করে পুলিশের সাফল্য   

কত ১৪ ডিসেম্বর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি থানার অজয়ার মাঠের জলাশয় থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের মৃত্যুর তদন্ত নেমে ফেলে আসা হেলমেটের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো খেজুরি থানার পুলিশ। অভিযুক্তের নাম ধীরেন দাস ও সবিতা দাস। জানা গেছে দুই অভিযুক্ত খুন হওয়া ব্যক্তির মেসো ও মাসি। মানসিক ভারসাম্যহীন বোনপোকে বাইকে চাপিয়ে ফাঁকা মাঠের কাছে নিয়ে গিয়ে মদ্যপান করিয়ে শ্বাস রোধ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে মেসো মাসির বিরুদ্ধে।

 

মানসিক ভারসাম্যহীন বোনপো পরিমল জানার কাজকর্মে অতিষ্ঠ মেসোর পরিবারের লোকজন। কখনো সাইকেল চুরি, কখনো লোকের বাসনপত্র চুরি, কখনো কখনো কোথাও গন্ডগোল সহ বিভিন্ন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তো পরিমল। আর তার দায় নিতে হতো অভিযুক্তদের। ছোটবেলা থেকেই মেসো মাসির বাড়িতেই বড় হয়েছিল পরিমল। পরিমলের কাজকর্মে তীতি বিরক্ত হয়েই ১৩ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে বাইকে নিয়ে গিয়ে মদ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে বলে জানা গেছে। ১৪ডিসেম্বর খেজুরি থানার বীরবন্দরের আজয়া গ্রামে ফাঁকা মাঠের আলের মাঝে যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠায়। তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক জায়গায় সি সি টিভি ফুটেজ ও অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখে দুজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের প্রাথমিক জেরাই অভিযুক্তরা খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার মিতুল দে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন। তবে মানুষের আপদ বিপদে থাকা ধীরেন দাস এ কাজ করতে পারে বিশ্বাস করতে পারছেন না আত্মীয়রা। অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করে কাঁথি মহকুমা আদালতে পেশ করে খেজুরি থানার পুলিশ।পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরিমলকে প্রচুর মদ্যপান করিয়ে অচৈতন্য করে ফেলা হয়। এরপর গলায় নাইলনের দড়ির ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে ধানক্ষেতে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয় তারা। মঙ্গলবার ধৃতদের কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। হেঁড়িয়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি আসিফউদ্দিন জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা খুনের কথা স্বীকার করেছে। চুরির অপবাদ ঘুচাতে গিয়ে ওই যুবককে খুন করেছেন বলে এই দম্পতির দাবি।

Related News

Also Read