প্রদীপ কুমার সিংহ
স্কুলের সাড়ে দশটার মধ্যে আসব, অকারণে তিন দিন স্কুল কামাই করলে অভিভাবকের চিঠি নিয়ে আসব,স্কুলের প্রত্যেকদিন পড়াশোনা করে আসবো,স্কুলের যাতে বদনাম হয় সেই কাজ করবো না, প্রত্যেক শিক্ষকের কথা শুনবো। স্কুলের মধ্যে গন্ডগোল করব না। এমনই শপথ বাক্য পাঠ করতে শোনা গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর থানার অন্তর্গত কেয়াতলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। মঙ্গলবার এই স্কুলে বিবেকানন্দ এর ১৬০ তম জন্ম দিন ও স্কুলের নবীনবরণ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্বলন করেন স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট মনিরুল ইসলাম। বিবেকানন্দ প্রতিক্রিতে মাল্যদান করে স্কুলের শিক্ষকরা ও ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট।

তারপরেই অনুষ্ঠান শুরু হয়।এই অনুষ্ঠানে বিবেকানন্দ জন্মদিন উপলক্ষে স্কুলে শিক্ষকরা, বিবেকানন্দর ভাবধারাকে নিয়ে বক্তব্য রাখেন। ছোটবেলা বিবেকানন্দ কি করতেন বড় হয়ে কি করেছেন এইসব নিয়ে বক্তব্য রাখেন। সেই সঙ্গে ২০২৬ সালে স্কুলে পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির যে ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হয়েছে,তাদের নিয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। স্কুলে ম্যানেজিং কমিটির ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট মনিরুল ইসলাম বলেন প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও নবীন বরণ উৎসব স্কুলে হয়।সেই সঙ্গে অনেক পুরনো ছাত্র এই স্কুল থেকে বেরিয়েছে তারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকের চাকরি পেয়েছেন। এটি স্কুলের গৌরবময় উজ্জ্বল দিক। তাদের পুষ্প স্তবক,মেমেন্টো দিয়ে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।

সেই সঙ্গে স্কুলের প্রায় ২৭৫ থেকে ৩০০ জন পঞ্চম শ্রেণি ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীকে গোলাপ, ফুল, পেন একটি চকলেট ও সংশয়পত্র দেওয়া হয়।এই কর্ম কর্মসূচিতে যাতে স্কুলে ছেলেমেয়েরা উৎসাহিত হয়।তাই প্রত্যেক বছরেই এই অনুষ্ঠান করা হয়। স্কুলের উঁচু ক্লাসের এক ছাত্রী শপথ বাক্য পাঠ করায়। এই অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করা সঙ্গে সঙ্গে নাচ গান ও আবৃতি একটি মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান হয়। কিছু সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনদের এই দিন সংবর্ধনা দেওয়া হয় স্কুলের পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ১২ টা থেকে তা চলে প্রায় দুপুর ৩, ২৫ টে পর্যন্ত। শেষে ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষকদের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এতে করে ছাত্র-ছাত্রীরা খুবই খুশি হয়েছে।





