পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শিমুল কুন্ডু গ্রামের বাসিন্দা এক গৃহবধূকে অভিনব পন্থায় প্রতারিত করলো এক প্রতারক জ্যোতিষী।কয়েক হাজার টাকার সোনার গহনা নিয়ে গেল সেই প্রতারক।
প্রতারিত গৃহবধূ দিপালী মণ্ডল জানিয়েছেন, বেশ কয়েকদিন আগে তিনি খেজুরি থানায় এলাকায় তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয়েছিল ওই প্রতারক জ্যোতিষীর সঙ্গে। মহিলার দাবি, তাঁর পরিবারের কিছু সমস্যার কথা ওই জ্যোতিষীর সাথে আলোচনা করেছিএন ।সেই সব শুনে জ্যোতিষী তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর পরিবারের শান্তি ফিরে আসবে। বাড়িতে গিয়ে হোম যজ্ঞ করতে হবে। সেই মতো রবিবার সকালে ১০টা নাগাদ দীপালি দেবীকে ফোন করে জ্যোতিষী তার বাড়িতে চলে আসেন।
জানা গেছে জ্যোতিষীর কথা মত মহিলা তাঁর গায়ে থাকা ঘনা খুলে, জ্যোতিষী সেই কাপড়ে মোড়া গহনাগুলি একটা মাটির ভাড়ে রাখেন।জ্যোতিষী সেই কাপড়ে মোড়া গহনাগুলি একটা মাটির ভাড়ে রাখেন। তারপরে তার উপরে একটা বিষধর সাপ রেখে দেন।
দিপালী দেবী আরো জানিয়েছেন , দু’টো হাড় ও কিছু চাল নিয়ে মহিলার চারিদিকে বিভিন্ন মন্ত্র বলে ঘুরিয়ে এই মাটির পাত্র বাড়ির মধ্যে রেখে দিতে বলে জ্যোতিষী। সেই সাথে বিকেল চারটের দিকে জ্যোতিষী নিজে এসে মাটির হাঁড়ি বের করবেন বলে যান। বিকাল চারটার পর কয়েক ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পরেও জ্যোতিষীকে যখন মহিলা ফোন করেন, তখন জ্যোতিষীর ফোন সুইচ অফ আসে। সন্দেহ হতে মহিলা প্রতিবেশীদের খবর দেন। তাঁরা এসে ওই মাটির ভাড় ভাঙতে মাটির ভেতর থেকে দুটো হাড় এবং একটা সাপ বেরিয়ে আসে। গায়েব সোনা।ঘটনাটা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে





