প্রদীপ কুমার সিংহ :- আবার পুকুর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। এলাকা চাঞ্চল্য ছড়ায়।ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর থানা অন্তর্গত বারুইপুর ডিহি মদন মেল্লা এলাকায়। এখানকার বড় রাস্তার পাশে একটি পানা পুকুর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত ব্যক্তির নাম উজ্জল চক্রবর্তী(৫৬)।
বারুইপুর থানার অন্তর্গত সালেপুর প্রান্তিক আবাসনে। ডিহি মদন মোল্লার একটা মেন রাস্তার পাশে পানাপুকুরে মধ্যে গোসাপ একটা ছোট বস্তা নিয়ে নাড়ানাড়ি করতে দেখে এলাকার একজন মহিলা।
সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশে বাড়ির লোককে খবর দিলে তারা এসে বারুইপুর থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেখেন বস্তার মধ্যে একটি প্লাস্টিকে মুখ বাধা দুহাত নেই এবং পায়ের অংশ ছিলনা।
সঙ্গে সঙ্গে সেই দেহটি তুলে বারইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। স্থানীয় মানুষকে জিজ্ঞাসা করলে তারা চিনতে পারে এবং উজ্জ্বল চক্রবর্তী নাম বলেন।

উজ্জ্বল বাবুর ছেলের জয় চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানান ১৪ই নভেম্বর রাত্রে থেকে বাবা নিখোঁজ ছিল। হঠাৎ ১৭ই নভেম্বর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার পুলিশ বাড়িতে খবর দেয়। বাড়ি থেকে ৩০০ মিটার দূরে একটা মেন রাস্তার পাশে পানাপুকুর থেকে তার এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে। সেই ছবি দেখালে তারা শনাক্ত করে। তখন পুলিশকে বলে ১৪ ই নভেম্বর থেকে তার বাবা নিখোঁজ ছিল। তার মা থানায় একটা নিখোঁজ ডায়েরী করে।
জয় চক্রবর্তী বলে তার বাবা নৌ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন সেখান থেকে অবসর নেওয়ার পর একটা প্রাইভেট কোম্পানি আলিপুরে চাকরি করতেন।কিন্তু তার বাবা মদ্যপান করতেন রোজই এবং পাড়ার লোকের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না। চাকরি ক্ষেত্রে সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রতিদিনই সন্ধ্যার সময় অফিস থেকে ফিরে মদ খেতে যেত। এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকতো।
পুলিশ শুক্রবার উজ্জ্বল বাবুর দেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় এবং উজ্জ্বল বাবুর দেহের নিম্ন অংশে কিছু ছিল না তাই পুলিশ জোরদার তদন্ত শুরু করেছে। কিছু দিন আগে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ও এক প্রেমিক প্রেমিকাকে ৩৫ টুকরো করে হত্যা করেছিল তাই সাধারণ মানুষ এই ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছে।






