Select Language

[gtranslate]
১৪ই চৈত্র, ১৪৩২ শনিবার ( ২৮শে মার্চ, ২০২৬ )

।। দিঘার সমুদ্র বাঁধ সংস্কার রোধে উদ্যোগী কুনাল ।।

এবার দিঘার সমুদ্র ভাঙ্গন রোধে রাজ্য সরকারের সেচ দফতর যাতে আরো সক্রিয় হয় তার উদ্যোগ নিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ।


গত ৩ ডিসেম্বর কাঁথির প্রভাত কুমার কলেজের মাঠে সভা করতে আসার পথে মারিশদায় একটি গ্রামে আচমকা ঢুকে গিয়েছিলেন তৃনমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারন সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এলাকার বাসিন্দাদের থেকে অনেক অভাব অভিযোগ শোনেন তিনি ।এরপর কাঁথিতে সভা মঞ্চে নিজের ভাষনে দলের জনপ্রতিনিধি আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেকের ঘরে ঘরে রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি। সেই নির্দেশের পরেই গ্রামে গ্রামে আরো জন সংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় তৃনমূল নেতা-মন্ত্রী-জন প্রতিনিধিরা।


তার সুফল পায় হলদিয়া পৌরসভার ২৭নং ওয়ার্ডের বিদ্যুৎবিহীন দুই গ্রাম বিষ্ণুরামচক এবং সৌতনপুর।মুলত কুনাল ঘোষের উদ্যোগে স্বাধীনতার এতো বছর পরেও অন্ধকারে থাকা এই দুটি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর।এবার দিঘার সমুদ্র ভাঙ্গন রোধ ও জমির পাট্টা বিলি সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হলেন কুনাল ঘোষ।


মৎস্যজীবী এবং মৎস্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরিকে সাথে নিয়ে রবিবার সকালে দিঘা মোহনায় চা চক্রে শামিল হন কুণাল ঘোষ।সেই বৈঠকেই মৎস্যজীবিদের থেকে সমুদ্র ভাঙন নিয়ে একাধিক অভিযোগ পান তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। জমির পাট্টা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়েও অভিযোগ আসে ।এরপরেই রাজ্যের কারাগার মন্ত্রী অখিল গিরিকে সাথে নিয়ে ভাঙ্গন এলাকা ও মৎস্যখটি গুলি সরেজমিনে ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখেন কুণাল।

জানা গেছে মিটিং স্থল থেকেই সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিককে ফোন করেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেচমন্ত্রী এলাকা পরিদর্শন করবেন বলেই আশ্বাস দেন কুণাল ঘোষ। এছাড়া জমির পাট্টা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Related News

Also Read