Select Language

[gtranslate]
২৪শে চৈত্র, ১৪৩২ মঙ্গলবার ( ৭ই এপ্রিল, ২০২৬ )

খেজুরী জুড়ে ব্যাপক প্রচার বিজেপি প্রার্থীর

এদিন ভোর থেকেই কার্যত ম্যারাথন প্রচারে নামেন খেজুরি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সুব্রত পাইক। তল্লা, জরারনগর, লাক্ষী, কামারদা-সহ একাধিক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে তিনি শুরু করেন জনসংযোগ কর্মসূচি। প্রচারের সূচনা হয় মন্দিরে পুজো দেওয়ার মাধ্যমে—ধর্মীয় আবহে ভোট প্রচারের বার্তা ছড়িয়ে দেন তিনি। এরপর গ্রামে গ্রামে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেন। কোথাও হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময়, কোথাও আবার প্রবীণদের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেওয়া—সব মিলিয়ে মানবিক স্পর্শে ভরপুর ছিল তাঁর প্রচার।

শুধু জনসংযোগই নয়, এদিন একাধিক কর্মীসভাও করেন সুব্রত পাইক। কর্মীদের সঙ্গে কৌশল নির্ধারণ, বুথভিত্তিক সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভোটের দিন কীভাবে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া যায়—তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

নিজের জয়ের বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী। সুব্রত পাইক বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। খেজুরি বিজেপির শক্ত ঘাঁটি, আর এখানকার মানুষ আমাদের পাশে আছেন। আগের বারের থেকেও অনেক বেশি ভোটে—প্রায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত।”

এদিকে, খেজুরির পাশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামেও এবার রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। সেখানে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফলে পূর্ব মেদিনীপুর জুড়ে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খেজুরিতেও।

সব মিলিয়ে, খেজুরিতে এখন নির্বাচনী আবহ তুঙ্গে। গেরুয়া শিবিরের জোরদার প্রচার, প্রার্থীর আত্মবিশ্বাস এবং কর্মীদের সক্রিয়তা—সবকিছু মিলিয়ে জমে উঠেছে লড়াই। তবে শেষ কথা বলবে ভোটবাক্স। খেজুরির মানুষ কাকে বেছে নেন এবং কতটা ব্যবধানে জয় আসে—সেই উত্তর মিলবে আগামী ৪ঠা মে ফল প্রকাশের দিন।

Related News

Also Read