রামনগরে রাজনৈতিক পালাবদল।সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান একাধিক নেতৃত্ব। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্র গত লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ৯ হাজার ভোট কম ছিল তৃণমূলের। সেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে ধীরে ধীরে সাফল্য লাভ করছেন এলাকার বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ও এবারের প্রার্থী অখিল। আবার ও সিপিআইএম এ ভাঙ্গন। রামনগর বিধানসভায় রাজনৈতিক পালাবদল অব্যাহত।
রামনগর বিধানসভার দেপাল গ্রাম পঞ্চায়েতের বারাঙ্গা বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী সভায় সিপিআইএম এর একনিষ্ঠ ৫ কর্মী শেখ এমাম, শেখ খাদিম, শেখ লালচাঁদ, জব্বার আলি সাহা, মুসলিম খান, সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। এই নির্বাচনী সভায় উপস্থিত থেকে রামনগর বিধানসভার প্রার্থী অখিল গিরি যোগদানকারীদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের এর পতাকা তুলে দিয়ে, তাদেরকে তৃণমূল কংগ্রেস দলের স্বাগত জানালেন। এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামনগর বিধানসভার নির্বাচন কমিটির কো-কনভেনার অনুপ কুমার মাইতি, দেপাল অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রঞ্জন পাত্র, দেপাল অঞ্চলের প্রাক্তন সভাপতি মানস গুচ্ছাইত, রামনগর ২ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সৌমেন গিরি, বুথ তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্বাস, উপস্থিত ছিলেন যুব সভাপতি আমজাদ খান, বুথ নেতৃত্ব মালিক আলী সাহা, শেখ ইনসার, অশোক পুলাই, শেখ মুন্না সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।
এই দিন তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী সভায় তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন তুলে ধরা হয়। এই যোগদান নিয়ে রামনগর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অখিল গিরি বিশেষ বার্তা দেন। এর আগে পালধুই ও কালিন্দী গ্রাম পঞ্চায়েতে একগুচ্ছ বিজেপির নেতৃত্ব ও সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করেছেন। শুধু তাই নয় তৃণমূলের অন্তর্দন্দ ও মতানৈক্যকে দূর করতে পেরেছেন। যে কারণে তৃণমূলের সকল নেতৃত্ব জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী লড়াই কে নেমেছেন। ধীরে ধীরে মানুষ ভুল বুঝতে পেরে তৃণমূলের ছাতার তলে আসছেন বলে দাবি করেছেন অখিল গিরি। তিনি সকল নেতৃত্বকে জোট বদ্ধ ভাবে রাজ্য সরকারের উন্নয়নকে হাতিয়ার করে নির্বাচনী লড়াইতে জয় সুনিশ্চিত করে মমতা ব্যানার্জিকে চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করার আহ্বান জানান।





