Select Language

[gtranslate]
২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

উত্তরকুঁড়িতে শীতলা মাতার পূজা ও কাকরাজিৎ মহাপ্রভুর আগমন ঘিরে শুরু সাত দিনের ঐতিহ্যবাহী মেলা  

শীতের মরশুমে গ্রামীণ বাংলার চিরাচরিত উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে প্রত্যন্ত অঞ্চল। আট থেকে আশি—সব বয়সের মানুষের ঢল নেমেছে মেলা প্রাঙ্গণে। মঙ্গলবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উত্তর কাঁথি বিধানসভা এলাকার এগরা-২ নম্বর ব্লকের বাথুয়াড়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত উত্তরকুঁড়ি গ্রামে শ্রী শ্রী শীতলা মাতার পূজার্চনা ও কাকরাজিৎ মহাপ্রভুর আগমন উপলক্ষে অষ্টমপ্রহর নামযজ্ঞের মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরে সূচনা হলো প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলার।

উত্তরকুঁড়ি উৎসব কমিটি ও স্থানীয় গ্রামবাসীবৃন্দের উদ্যোগে স্থানীয় শীতলা মন্দির প্রাঙ্গণে সাত দিনের এই গ্রামীণ মেলার শুভারম্ভ ঘটে। এদিন মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তরুণ কুমার জানা। তিনি বলেন, “প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের এই মেলা একেবারেই অসাধারণ। এর ঐতিহ্য ও সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। আগামীদিনে মেলার সাফল্য কামনা করি।” উদ্বোধনী দিনেই ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

আয়োজক সংস্থার প্রধান উদ্যোক্তা স্বপন কুমার জানা জানান, “এই মেলা আমাদের এলাকার বহু প্রাচীন ঐতিহ্য। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।”

মেলার বিশেষ আকর্ষণ

রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্পের সচেতনতামূলক প্রচার — খাদ্যসাথী, কৃষকবন্ধু, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, এসআইআর

নরনারায়ণ সেবা ও রক্তদান শিবির

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

যাত্রাপালা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিভিন্ন পণ্যের বহু স্টল

সব মিলিয়ে উত্তরকুঁড়ির এই গ্রামীণ মেলাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকা কার্যত উৎসবের আবহে মেতে উঠেছে। শীতের সন্ধ্যায় আলো-রোশনাই, ভক্তি, সংস্কৃতি ও জনসচেতনার মেলবন্ধনে এই আয়োজন হয়ে উঠেছে গ্রামীণ জীবনের এক অনন্য মিলনমেলা।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংস্থার সম্পাদক সৌমেন জানা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দীনেশ দাস, স্বপন প্রধান, পরমেশ্বর মণ্ডল, সুশান্ত পাত্র, অরবিন্দ মাইতি, শ্রীমন্ত করণ, শিবশঙ্কর মাইতি, সুজিত মাইতি, প্রদীপ মণ্ডল, সঞ্জয় জানা প্রমুখ।

Related News

Also Read