Select Language

[gtranslate]
২রা মাঘ, ১৪৩২ শুক্রবার ( ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ )

ছাত্রীদের সাথে অশালীন আচরন:অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামলো ছাত্রীরা।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটা

পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের একটি হাইস্কুলের।

আন্দোলনকারী ছাত্রীরা অভিযোগ করেছে দীর্ঘদিন ধরেই যৌন হেনস্থা করছিলেন ওই শিক্ষক। অভিযোগ, ছাত্রীদের একা দেখা করা থেকে শুরু করে তাদের কোলে বসিয়ে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিতেন। ঘটনা হয়ে আসছিল কয়েক মাস ধরেই। ছাত্রীরা জানিয়েছে প্রধান শিক্ষকের অত্যাচার থেকে বাঁচতে তারা বাধ্য হয়েই বাড়িতে ঘটনাটা জানিয়েছে।এরপরেই সোমবার অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে এসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন অভিভাভকেরা। কিন্তু অভিভাবকদের প্রশ্নের যথাযথ কোনও উত্তর প্রধান শিক্ষক না দেওয়ায় তাঁকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে মাটিতে বসিয়ে রাখা হয় বেশ কিছুক্ষণ। এবং তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ছাত্রীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিতি হন স্থানীয় কাউন্সিলর সহ তমলুক থানার পুলিশ।

পুলিশের সামনেই প্রধান শিক্ষককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যেতে গেলে পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্রীরা। দীর্ঘ ১ ঘণ্টা সময় অতিক্রম করার পর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় অভিযুক্তকে।

নবম শ্রেণির এক ছাত্রী বলে,কোনও বাহানা দিয়ে তাদের নিজের রুমে ডাকতেনবপ্রধান শিক্ষক। তারপর গাল টেপে। পেটে টাচ করে, ছোট মেয়েদের ছাড়ে না। বাজে কথা বলে। খালি বলে আলাদা দেখা করবি। পড়ার কথা আছে। কিন্তু কিছুই থাকে না।

 

নবম শ্রেণির আরও এক ছাত্রী বলেন, স্যার যদি এমন করে কী করব বলুন তো। ভয় লাগে। অনেক ছাত্রী আছে যাঁরা শুধু ক্লাসে আসে পরীক্ষার সময়।

ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বলেন, স্যার ক্লাসে ঢুকে মেয়েদের কাছে ডাকে। ছেলেদের ডাকে না। যে ছেলে ক্লাসের টপার তাকেও মারে। মেয়েদের বলে না। স্যর মেয়েদের ডেকে কোলে বসায়। তারপর তার গাল টেপে, উল্টোপাল্টা জায়গায় হাত দেয়। কিছু দিন ধরেই চলছে। আমরা সাহস করে বলতে পারিনি।

 

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমার কিছু বলার নেই।

Related News

Also Read