ইন্দ্রজিৎ আইচ:-সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো ইছাপুর আলেয়ার পাঁচ দিনের ২২ তম নাট্যমেলা তথা ভারত নাট্যরঙ্গোলি ৬।
শ্যামনগর রবীন্দ্রভবনে ‘মননে শুভেন্দু ‘ নামাঙ্কিত নাট্যমেলাটির উদ্বোধন করেন প্রবীণ নাট্যব্যক্তিত্ব অসিত বসু। তিনি আলেয়া প্রকাশিত তীর্থঙ্কর চন্দের পাঁচটি নাটকের সংকলন ‘ছাপ-ছবি’ও প্রকাশ করেন।
এবারের আলেয়া, নাটককার অসীম ও নাট্যবন্ধু শুভেন্দু সম্মাননা দেওয়া হল যথাক্রমে অভি সেনগুপ্ত, মৈনাক সেনগুপ্ত ও ভদ্রা বসুকে। সম্মাননা প্রদানের পর শ্যামনগর নাট্যবিতানের চল্লিশজন শিশু-কিশোর নেচে-গেয়ে উপস্থাপন করল রঙিন প্রযোজনা।
প্রথম দিন মঞ্চস্থ হয় রাজা ভট্টাচার্যের নাট্যরূপে দীপক মিত্রের নির্দেশনায় রবিঠাকুরের ‘জুতা আবিষ্কার। উৎসবের দ্বিতীয়দিন মঞ্চস্থ হল শিলিগুড়ি ঋত্বিকের ‘একজন লক্ষীন্দর’।
পরিচালনা কুশল বোস ও পরে মঞ্চস্থ হয় যাত্রিকের ‘ফিরে আসা ঢেউ’। তৃতীয়দিন ছিল ইচ্ছাপুর আলেয়ার শিশু-কিশোরদের নাটক ‘কানাইচাঁদ পালোয়ান’ নাটক রাজা ভট্টাচার্য ও নির্দেশনায় ছিলেন দীপক মিত্র। পরে অশোকনগর নাট্যমুখের ‘কুহকিনী বীররাত্রি’ মঞ্চস্থ হয়।পরিচালনায় ছিলেন অভি চক্রবর্তী।

চতুর্থদিন ছিল ঋত্বিক বহরমপুরের নাটক ‘তুষেরআগুন’নাটক মোহিত চট্টোপাধ্যায় ও নির্দেশনা বিপ্লব দে। পরে মঞ্চস্থ হয় আগরপাড়া থিয়েটার পয়েন্টের নাটক ‘সোনার হরিণ’। নাটক রাজা গুহ।নির্দেশনা রনি ভৌমিক।উৎসবের শেষদিনে মঞ্চস্থ হয় থিয়েলাইটের নাটক ‘দুর্গা রহস্য’ নাটক ও নির্দেশনা অতনু সরকার ও এই উৎসবের শেষ প্রযোজনাটি ছিলো ইউনিটি মালঞ্চর সহস্রাধিক অভিনীত নাটক ‘হনুয়া কা বেটা’।নাটক ও নির্দেশনায় ছিলেন গোপাল দাস। প্রবেশদ্বার থেকে সমস্ত প্রাঙ্গন জুড়ে ইছাপুর আলেয়ার প্রাণ পুরুষ প্রয়াত শুভেন্দু মজুমদারের নানামুহূর্তের নাটকের ছবিতে ছিল উজ্জ্বল।
একটি নাট্য-ট্যাবলয়েড প্রকাশিত হয় এই উৎসবের শুরুতে। প্রচুর দর্শক সমাগমে পাঁচ দিনের নাট্যমেলাটি সার্থক ভাবে সুসম্পর্ন হয়।






