Select Language

[gtranslate]
২৮শে মাঘ, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

হোটেল কর্মীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো দীঘায়

সৈকত নগরী দীঘা পর্যটন শহরে এক হোটেল কর্মীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে খুন নাকি নিছক দুর্ঘটনায় মৃত্যু। দীঘা মোহনা থানার পুলিশ প্রকৃত মৃত্যু রহস্য উদ্ধারে  তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে গত শনিবার  রাত্রিতে দুই হোটেল কর্মীর মদ্যপানের আসর বসায়। অভিযোগ সেখানে দুজনের মধ্যে মারামারি হয়ে গুরুতর জখম হয় হোটেল কর্মী বিশ্বজিৎ দে (২২)।গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে  হোটেলের সহকর্মীরা উদ্ধার করে দীঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগ করলে দীঘা মোহনা থানার পুলিশ তদন্তে নেমে তার সহকর্মী কালিপদ সামন্তকে গ্রেফতার করে। সূত্রের খবর জানা গেছে কাঁথি ১ ব্লকের কাঁথি থানার মহিষাগট গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলতলা গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দে। ধৃত মহিষাগট গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালসিবাড়ের দক্ষিণ পোতাপুকুরিয়া  গ্রামের বাসিন্দা কালিপদ সামন্তকে সোমবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তার পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে দুই বন্ধু মদ্য পানে বসে বছসা শুরু করে।

উত্তেজনা বাড়লে দুই বন্ধুর মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। তাতেই বিশ্বজিৎ দে গুরুতর জখম হয়। সহকর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত  বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকগণ। জানা গেছে এরা দীঘা ফ্রেন্ডস হোটেলের কর্মী। এই কেসে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দুই হোটেল কর্মী বাসুদেব দাস ও হেমন্ত প্রধানকে সাক্ষী দেওয়ার জন্য পুলিশ আদালতে পাঠায়। অপর সূত্রে জানা গেছে এটি নিছক দুর্ঘটনা। মদ্যপান করে বিশ্বজিৎ এমন ভাবে পড়ে যায় যে তার পেছনের দিকে পিঠে এবং মাথায় জোরালো চোট লাগে। তার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে মৃত্যুর প্রকৃত কারন উদ্ধারের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে অনেকটাই পরিষ্কার হবে।

Related News

Also Read