কাজলা জনকল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সামাজিক সমারোহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে আজ সরদা গ্রামে সামাজিক বিকাশে যুব সমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়। সংস্থার সাধারণ সম্পাদক স্বপন পন্ডা যুব সমাজের বর্তমান অবস্থা এবং আগামী দিনে সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান করেন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বামী রমানাথানন্দ মহারাজ। তিনি নিঃস্বার্থ হয়ে মানুষ হওয়ার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার সুরক্ষা আয়োগের চেয়ারপার্সন তুলিকা দাস। তিনি বলেন, যদি ১৮ বছরের নিচে কোনো শিশু ১০০ টি গাছ লাগিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে পারেন, তবে তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হবে।

একই ভাবে যদি কোনো শিশু নিজে ভালো পড়াশোনার সঙ্গে অন্য শিশুকেও শেখান, যে যা ভালো জানেন, যোগা, ছবি আঁকা, আলপনা, নাচ, গান অন্যকেও শেখান, তবে তাকেও পুরস্কার দেওয়া হবে। কাজলা জনকল্যাণ সমিতি গাছ, প্রয়োজনে চক, ব্ল্যাক বোর্ড দিয়ে সহযোগিতা করবে বলে জানান স্বপন পন্ডা। জেলা শিশু অধিকার সুরক্ষা আধিকারিক সারদা গিরি শিশু সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন আইন নিয়ে সচেতনতার প্রসার এবং প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বিশিষ্ট মনোবিদ সোমা সিনহা বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেদেরকেই নিতে হবে। জেলা শিশু কল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন প্রাণকৃষ্ণ দাস যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেন।

অধ্যাপক সুমিত গিরি জলবায়ু পরিবর্তন ও যুব সমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন গ্রামে গ্রামে পরিবেশ যোদ্ধা গড়ে তুলতে হবে। তবেই আমরা পরিবেশ বাঁচাতে পারব। সামাজিক কাজ করার জন্য উমা বেরা, কৃষ্ণা মন্ডল এবং কবিতা মাইতিকে সম্বর্ধনা জানানো হয়। সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি অসীম কুমার দাস।





