Select Language

[gtranslate]
৩রা মাঘ, ১৪৩২ শনিবার ( ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ )

নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে ব্রহ্মচারিণীর আরাধনা করা হয়

শারদ নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে নবদুর্গার দ্বিতীয় দেবী ব্রহ্মচারিণীর আরাধনা করা হয় | “ব্রহ্ম চারইতুং শীলমস্যা:” | ব্রহ্মজ্ঞানদাসনে ব্রহ্মকে প্রাপ্ত করানো তাঁর স্বভাব | দেবরাজ ইন্দ্রকে তিনি ব্রহ্মজ্ঞান দিয়েছিলেন ব্রহ্মচারিণী রূপে |

দেবাসুরের সংগ্রামে একবার জয় হয় দেবতাদের | এতে খুব গর্ব অনুভব করেন দেবতারা | তাঁরা ভুলে গেলেন জয়ের উৎস যিনি তাঁকেই | সমবেত দেবতারা লক্ষ করলেন অদূরে এক অত্যুজ্জ্বল জ্যোতির্ময় বস্তু | ইন্দ্র অগ্নিকে আদেশ করলেন বস্তুটি কি জেনে আসতে |

“আপনি কে ?”–অগ্নি এই প্রশ্ন করাতে এলো প্রতি জিজ্ঞাসা—“আপনি কে ?” “আমি অগ্নি”–বললেন অগ্নিদেব | “কি কার্য করতে পারেন আপনি ?”–প্রশ্ন করলেন জ্যোতির্ময় দেবতা | “ব্রহ্মান্ডে যাকিছু আছে ভস্মীভূত করে ফেলতে পারি আমি “–গর্বিত কন্ঠে উত্তর দিলেন অগ্নিদেব | “বটে !! তবে ভস্ম কর তো এই তৃণগাছি |” অগ্নির সন্মুখে একগাছি ক্ষুদ্র তৃণ রেখে এই কথা বললেন জ্যোতির্ময় দেবতা | কি আশ্চর্য ! সম্পুর্ন শক্তি প্রয়োগ করেও অগ্নিদেব সক্ষম হলেন না তুচ্ছ তৃণখন্ডকে দগ্ধ করতে | ভয়ে পালিয়ে গেলেন অহংকারী অগ্নিদেব | একই অবস্থা হলো পবনদেবেরও | সকল শক্তি প্রয়োগ করেও তিনি হাওয়ায় ওড়াতে পারলেন না তৃণগাছি |

 

শেষে দেবরাজ ইন্দ্র এগিয়ে আসতেই আত্মপ্রকাশ করলেন উমা হৈমবতী | তিনি কৃপা করে ব্রহ্মজ্ঞান দান করলেন দেবরাজ ইন্দ্রকে | বুঝিয়ে দিলেন,সংসারে কারো ক্ষমতা নেই কোনো কার্য করার | সকল শক্তির উৎস পরব্রহ্ম ||

Related News

Also Read