কাঁথি তে শ্রম কোড বাতিলের বিক্ষোভ সভায় সুজন চক্রবর্তী
দেশ এবং রাজ্য কে অবক্ষয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রের আরএসএস প্রভাবিত বিজেপি এবং রাজ্যের বিজেপি সহযোগী তৃণমূল সরকার। কথাগুলো বললেন কাঁথিতে শ্রম কোড আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ অবস্থান সভায় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।

আজ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি সি আই টি ইউ রিজিওনাল কমিটির উদ্যোগে শ্রমকোড বাতিলের দাবিতে কাঁথি বড় পোস্ট অফিস মোড়ে বিকেল চারটে থেকে ছটা পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সেই সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুজন চক্রবর্তী বলেন ,কেন্দ্রের সরকার শ্রমিক-কৃষকের নায্য অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া জন্য নানান আইন লাগু করছে। বেকারের কাজ নেই। রাজ্য সরকার পরিচয় শ্রমিকদের ভাতার ভাঁওতা দিয়ে যাচ্ছে। এমজি আরজি এর প্রস্তাবকে বাতিল করে রাম জি আইন পাশ করিয়ে নিচ্ছে।শ্রমিকের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা দুরূহ হয়ে পড়েছে। দেশের সমস্ত উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক শ্রেণী ওতপ্রোতভাবে জড়িত ।খাদ্য থেকে শিল্পকল কারখানা সমস্তের উৎপাদনের শক্তি শ্রমজীবী মানুষ। অথচ সেই শ্রমিক শ্রেণী তাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের উপযুক্ত মূল্য পাচ্ছে না।এই শ্রমিকের শ্রমের সময় নির্ধারণ করে মালিক গোষ্ঠীর প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে শ্রম আইন জারি করেছে। যার ফলে শ্রমিক শ্রেণী ৮ ঘন্টার পরিবর্তে মালিকের ইচ্ছে অনুযায়ী ১২ ঘন্টা ১৪ ঘন্টা খাঁটিয়ে নেবে। আমাদের দাবি এই শ্রমকোড বাতিল করতে হবে। শ্রমিককে তার ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে ।মাসে ন্যূনতম ২৬ হাজার টাকা বেতন দিতে হবে । তিনি বলেন, বিজেপি এবং তৃণমূল উভয়ই ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে মানুষকে বিব্রত বিভ্রান্ত করছে । শুভেন্দু অধিকারীর দিকে প্রশ্ন তোলেন কতজন রোহিঙ্গা তার তালিকা কোথায়।সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিয়ে বিজেপি এবং তৃণমূল রাজনীতি করে যাচ্ছে। সমাজে টিকে থাকতে গেলে নিজেদের লড়াই করে অধিকার কে সাব্যস্ত করতে হবে ।তার জন্য সমস্ত মানুষকে দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে করা আহ্বান জানান।
সভায় বক্তব্য রাখেন সি আই টি ইউ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পন্ডা, বক্তব্য রাখেন কাঁথি রিজিওনাল কমিটির সম্পাদক জয়দেব পান্ডা,বিশ্বনাথ রায় ,কমল তোলা ,মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ নেতা মিঠুন চক্রবর্তী ,পৌর কর্মচারী নেতা কুনাল দাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন গণআন্দোলনের নেতৃত্ব নিরঞ্জন সিহি, ভরত মাইতি, আশিস প্রামানিক, কানাই মুখার্জি, দীপক প্রধান





