Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

।। আনন্দপ্রতিমা মা সারদা ।।

একবার স্বামী তুরীয়ানন্দ ঠাকুরকে জিজ্ঞেসা করেছিলেন “… সংসারে এত দুঃখ কেন? এর উত্তরে ঠাকুর বলেছিলেন ” এ সংসার তাঁর লীলা ; খেলার মতো। এই লীলায় দুঃখ পাপ – এ সব গেলে লীলা চলে না তাই ঈশ্বরের ইচ্ছার কাছে নিজেকে সম্পুর্ন ভাবে সমর্পণ করতে পারলে মানুষ কোনো পরিস্থিতিতে বিচলিত হবে না, দুঃখ পাবে না নিরানন্দ হবে না।
শ্রীশ্রীমা সর্বদা যে আনন্দে থাকতেন তার কারন ছিল ঈশ্বরের কাছে পুরোপুরি তাঁর আত্মনিবেদন।
মানুষের জীবনে আনন্দ না থাকলে দুঃখ – কষ্ট সহ্য করে সাংসারিক কাজকর্ম করা তার পক্ষে কঠিন হয়ে উঠে।
সারদাদেবী যখন দক্ষিনেশ্বরে স্বামী কাছে আসেন, তখন ভাগনে হৃদয় তাঁকে অনেক কটুকথা বলেছিলেন এবং অপমান করেছিলেন। ঠাকুর এর কোনো প্রতিবাদ করেননি। শ্রীশ্রীমা দক্ষিনেশ্বর থেকে চলে যাওয়ার সময় মা ভবতারিণীর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন ” মা, যদি কোন দিন আনাও তো আাসব। ” স্বামীর কাছে এসে যেন তিনি অপরাধ করেছেন। স্বামীর কাছে আসার অধিকার তাঁর ছিল না। কিন্তু হৃদয়কে তিনি কখনও দোষারোপ করেননি, বরং দেখা গিয়েছে কোথাও হৃদয়ের নিন্দা শুনলে তিনি তাঁর পক্ষে নিয়েই কথা বলেছেন। এর কারন শ্রীশ্রীমা বলেছেন ” দোষ তো মানুষ করবেই! ও দেখতে নেই। ওতে নিজেরই ক্ষতি হয়। শ্রীমা যে এত আনন্দে থেকেছেন তার গোপন রহস্য ছিল — তিনি কারোর দোষ কখনও দেখেননি।

Related News

Also Read