Select Language

[gtranslate]
১৭ই চৈত্র, ১৪৩২ মঙ্গলবার ( ৩১শে মার্চ, ২০২৬ )

ঝাড়গ্রামে আদিবাসী যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মদের ধিক্কার মিছিল

যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীদের সসম্মানে সবতনে,স্বপদে ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারকেই নিতে হবে,এই দাবিতে আদিবাসী যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মী অধিকার রক্ষামঞ্চে(২০১৬) এর আহ্বানে শনিবার দুপুরে যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীদের দৃপ্ত ধিক্কার মিছিলে ও পথসভা অনুষ্ঠিত হলো ঝাড়গ্রাম শহরে।

এদিন শালতলা মোড় থেকে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্যে দিয়ে মিছিলের সূচনা হয়। সেখানে থেকে সুভাষ মোড়, কোর্টে রোড় হয়ে পাঁচমাথার মোড়ে শেষ হয়। পাঁচমাথার মোড়ে কিছু সময়ের জন্য পথ অবরোধ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল চালাকালীন সময়ে যাত্রাপথে সিধু-কানুর মূর্তি সহ অন্যান্য মনীষীদের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়।

এদিনের মিছিল থেকে দাবি করা হয়, তাঁরা আদিবাসী যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষিকা তাঁরা কেউ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন, তবুও সরকার তাঁদের চাকরি কেড়ে নিয়েছে, তাই তাঁরা যাতে চাকরিতে পুনর্বহাল হতে পারেন তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে,একই চাকরি জন্য কেউ তাঁরা কেউ পুনরায় পরীক্ষার বসবেন না,সরকারকে যোগ্য ও অযোগ্য পৃথকীকরণ করে যোগ্যদের বিদ্যালয় গুলোতে সসম্মানে ফিরিয়ে দিতে হবে, যাঁরা এই নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত তাদেরকে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে,সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা কে বাঁচাতে হবে,এস. এস. সি পরীক্ষা যাতে প্রত্যেক বছর হয় তা সরকারকে সুনিশ্চিত করতে হবে, নতুন যে নোটিফিকেশন হয়েছে তাতে সাঁওতালি মাধ্যম বিদ্যালয়ের শূন্য পদ প্রকাশ করতে হবে, এসটি দের জন্য সংরক্ষিত কত শূন্য পদ আছে তা নোটিফিকেশনে দিতে হবে, জীবন জীবিকা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না ইত্যাদি।

ধামসা-মাদল সহ এদিন ঝাড়গ্রাম শহরে মিছিল হয়। চাকুরিহার আদিবাসী যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীদের পাশাপাশি অন্যান্য যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীরা এবং শুভানুধ্যায়ীরা এই মিছিলে সামিল হন। এদিনের যোগ্যদের পক্ষে এদিনের মিছিলে নেতৃত্ব দেন কিসুন বেসরা,

দুলাল মুর্মু,সনৎ সরেন

কৃষ্ণ বেসরা, কৃষ্ণ গোপাল চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা।

Related News

Also Read