ভারচুয়ালি শুক্রবার বিশ্বের দীর্ঘতম ক্রুজ এম ভি গঙ্গাবিলাসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
‘বারাণসী থেকে আসাম পর্যন্ত দীর্ঘ জলপথ পর্যটন যাত্রার উদ্বোধন হলদিয়া বন্দরে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর,তমলুকের তৃনমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী,হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মন্ডল সহ কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরের কর্তারা।

সেই সাথে এদিন হলদিয়া বন্দরে মাল্টি মোডাল টার্মিনাল উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় জাহাজ, বন্দর, অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহন এবং আয়ুষ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।

মন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, হলদিয়া বন্দর স্বাধীনতা সংগ্রামী সতীশ চন্দ্র সামন্তের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে।আজ ঐতিহাসিক দিন, হলদিয়া বন্দর আসাম রাজ্য সহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বাংলাদেশ বার্মা ইন্দোনেশিয়া চীন ভুটান এই সমস্ত দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে এবং অত্যন্ত ভালো কাজ করেছে। মন্ত্রী হলদিয়া বন্দরকে উন্নতির চরম সীমায় নিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হয়েছেন। কারণ উত্তর-পূর্ব ভারত পিছিয়ে ছিল। পিএম গতিশক্তির মাধ্যমে দেশকে সার্বিক বিকাশের মাধ্যমে বিশ্বের মধ্যে প্রথম সারিতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। ভারতবর্ষে বিভিন্ন নদ নদীর রয়েছে, সেই জলপথকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় সেই ভাবনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি করে দেখিয়েছেন বলেও দাবি মন্ত্রী।
উল্লেখ্য হুগলি নদীতে তৈরি এই টার্মিনালের মাধ্যমে প্রতি বছর ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন পণ্য ওঠানামা করা সম্ভব হবে। টার্মিনালের বার্থে ঢুকতে পারবে ৩০০০ টন ওজন বহন ক্ষমতাসম্পন্ন বার্জ বা ছোট জাহাজ। হলদিয়া পাতিখালী হর পার্বতী ঘাট এর কাছেই টার্মিনাল তৈরি হয়েছে সবুজ পতাকা নেড়ে টার্মিনালের উদ্বোধন করেন ভারতের নৌপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।






