ইন্দ্রজিৎ আইচ :- দক্ষিণ কলকাতার সুজাতা সদনে প্রকাশিত হলো মন্ত্রী এবং কবি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত সংবাদ অঙ্গীকার শারদ সংখ্যা ১৪৩০। কিছুদিন আগেই এই বইয়ের প্রাণপুরুষ
তপনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হয়েছেন। এই সংবাদ অঙ্গীকার
শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হচ্ছে ২৩ বছর ধরে। এই শারদ সংখ্যা প্রকাশ করেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, লেখক প্রছেত গুপ্ত,
মেয়র পারিষদ ও বিধায়ক দেবাশিস কুমার, নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, খরদা পৌরসভার চেয়ারম্যান নিলী সরকার, কর্নেল
সব্যসাচী বাগচী, প্রাক্তন অধ্যাপক অরুণ চট্টোপাধ্যায়, কবি বীথি চট্টোপাধ্যায়, চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, লেখিকা দেবযানী বসু কুমার, অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী সহ আরো অনেক গুণীজন। সকলেই এই বইয়ের লেখা , গুণমান এবং মন্ত্রী ও কবি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এর সম্পাদনার ভুয়সী প্রসংশা করেন।
এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী ও কবি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানালেন খুব ছোটোবেলা থেকেই লেখালেখি করতে ভালোবাসি। এখনও শত ব্যাস্ততার মধ্যে আমি কবিতা লিখি। নানা পত্রপত্রিকায় সেই কবিতা ছাপা হয়। আমার দাদা সংবাদ অঙ্গীকার এর প্রতিষ্ঠাতা। পরবর্তী সময় আমি এই পত্রিকার দায়িত্ব নিয়েছি দাদা প্রয়াত হবার পর। আমি ৬৭ / ৬৮ সাল থেকে কাগজ করি। এক সময় গণকণ্ঠ, যুগবার্তা বের করেছিলাম। করোণার আগে এই সংবাদ অঙ্গীকার সাপ্তাহিক বের।হতো। এখন এই পত্রিকা ১৫ দিন অন্তর বের হয়। এবারের শারদ সংখ্যা য় গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ভ্রমণ, খেলা, বিনোদন, সাস্থ্য, শিশু বিভাগ সহ নানা লেখায় সমৃদ্ধ হয়েছে আমাদের এই ২৬০ পাতার পুজো সংখ্যা। দাম করা হয়েছে ১৫০ টাকা। অপূর্ব সুন্দর প্রচ্ছদ এঁকেছেন বিখ্যাত চিত্র শিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়। আমি আমার অবসর সময়ে বিভিন্ন গল্প কবিতা পড়ি, সাহিত্য চর্চা করি ও লেখালেখি ও সম্পাদনা করি।সমগ্র অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, ভাবনা ও পরিচালনায় ছিলেন সংবাদ অঙ্গীকার এর প্রাণপুরুষ প্রয়াত তপনদেব চট্টোপাধ্যায় এর কন্যা
জয়তী চট্টোপাধ্যায়।







