Select Language

[gtranslate]
৩রা মাঘ, ১৪৩২ শনিবার ( ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ )

রয়েল আই টি আই কলেজের গর্বের মুহূর্ত

গত ২৭শে জুলাই নিউ দিল্লির র ইন্ডিয়া হেরিটেট সেন্টার এ আয়োজিত ইন্ডিয়া ইন্টেলেকচুয়াল কনক্লেভ ২০২৫ -এর বিশেষ ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে রয়েল আই. টি. আই. কলেজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বরুণ কুমার জানা কে কারিগরি শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য সাম্মানিক ডক্টরেট ডিগ্রি ও গোল্ড মেডেল-এ ভূষিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বারলিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি। এই অসাধারণ সন্মান অর্জনে রয়েল আই. টি . আই. কলেজ পরিবার গর্বিত, আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। এটি শুধু কলেজের নয়, সমগ্র কাঁথি এবং পূর্ব মেদিনীপুরের জন্য এক গর্বের অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশ সরকারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী অধ্যাপক ডঃ দীনেশ শর্মা, ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি সি বি তেওয়রী সহ দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও প্রতিনিধিবৃন্দ।

গত ৩৮ বছর ধরে বরুণ কুমার জানা কাঁথি-এগরা মহকুমা সহ অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় কারিগরি শিক্ষার প্রসারে, যুগোপযোগী টেকনিক্যাল ও কম্পিউটার শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। পাশাপাশি লায়ন্স ক্লাব অফ কন্টাই সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সমাজ সেবামূলক কাজ করে চলেছেন। জীবিকার্জনের শিক্ষা ও সমাজ গঠনে তাঁর নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টারই ফলস্বরূপ এই আন্তর্জাতিক সম্মান। তিনি ১৯৮৮ সাল থেকে কাঁথি শহরের ধনদীঘির প্রফেসর কলোনিতে “রয়েল টেকনিক্যাল কলেজ” নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলেন। ভাবনা ছিল কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যুবসমাজ জীবন জীবিকার লড়াইয়ের ক্ষেত্রে অনন্য সাফল্য লাভ করবে। সেই কারণে তিনি টিভি, রেডিও, ফ্রিজ ও পরবর্তীকালে কম্পিউটার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। লক্ষ্যে স্থির ছিলেন, যার কারনে সাফল্য অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। যার কারনে বহু যুবক-যুবতী স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত এবং জীবিকা সন্ধানে সাফল্য লাভ করেছে।

তৎকালীন অবিভক্ত কাঁথি মহাকুমা ও মেদিনীপুর জেলায় সুনাম কুড়িয়েছিলেন যা পথ চলার ক্ষেত্রে মসৃণ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সময়ে তিনি ‘স্কিল ইন্ডিয়া” ও “মেক ইন ইন্ডিয়া “র আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। তারপর তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম করেন “রয়েল আই টি আই কলেজ “। এখন তিনি প্রতিবছর বহু যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষিত করে কর্মসংস্থানের দিশা দেখাচ্ছেন। এই সম্মাননা ভবিষ্যতের পথ চলায় তাঁকে আরও দায়িত্ববান করে তুলবে এবং একটি সুন্দর ও শিক্ষিত সমাজ গঠনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। কাঁথিবাসী ও শিক্ষামহলে এই অর্জন এক গর্বের মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং সকলে তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Related News

Also Read