বুধবার দ্বীপ রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।এই বার প্রথমবার শুধু মাত্র জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে শ্রীলঙ্কায়।ভারতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো শুধু মাত্র সাংসদ-বিধায়কেরা নন, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এত দিন ভোট দিতেন সে দেশের প্রত্যেক নাগরিক। এত কম সময়ের মধ্যে সেই আয়োজন কার্যত অসম্ভব। এই পরিস্থিতিতে তাই পার্লামেন্টের সদস্যদের ভোটের ভিত্তিতেই অন্তর্বতী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী তথা কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে বুধবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে নির্বাচনের আগে শ্রীলঙ্কায় জারি হল জরুরি অবস্থা।
প্রেসিডেন্টের কুর্সি দখলের লড়াইয়ে রয়েছেন মূলত চার জন— ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি)-র প্রধান রনিলের পাশাপাশি, পার্লামেন্টের বিরোধী দলনেতা তথা সমগি জন বলবেগয়া (এসজেবি)-র প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান সাজিথ প্রেমদাসা, প্রবীণ সাংবাদিক তথা রাজাপক্ষের দল শ্রীলঙ্কা পড়ুজনা পেরমুনা (এসএলপিপি)-র পার্লামেন্ট সদস্য ডলাস অলহাপেরুমনা এবং সিংহলী জাতীয়তাবাদী তা বামপন্থী দল জনতা বিমুক্তি পেরামুনা (জেভিপি)-র নেতা আনুরা কুমারা দিশানায়েকে রয়েছেন ভোটযুদ্ধে।
জনরোষ এড়াতে শ্রীলঙ্কা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।তাই জরুরি ভিত্তিতে ভোটের কারণে এ বার বদলে গিয়েছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পদ্ধতি।






