Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

।। মহিলা ভোট টানতে বঙ্গজননী বাহিনীকে দিব্যেন্দু অধিকারীর স্ত্রীর সাথে কথা বলার পরামর্শ কুনালের ।।

তৃনমূলের হাত শক্ত করতে বিরোধী দলের সমর্থক বাড়ির মহিলাদের আরো বেশী করে বঙ্গজননী বাহিনীতে যুক্ত করার আহ্বান জানালেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ।কাঁথি শহরে এই প্রচার শান্তিকুঞ্জের বাসিন্দা দিব্যেন্দু অধিকারীর স্ত্রীর কাছ থেকেই শুরু করার জন্য বঙ্গজননী বাহিনীর কাছে আবেদন জানালেন তিনি।

রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তৃনমূলের টিকিটে তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ।তৃনমূলের টিকিটে তিনি দক্ষিন কাঁথি বিধানসভার বিধায়ক ও কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলারও হয়েছেন।কাঁথির শান্তিকুঞ্জের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে তাঁর বাবা তৃনমূলের সাংসদ শিশির অধিকারী,দিব্যেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্য ভাই,মা সহ পরিবারের বাকী সদস্যরা থাকেন।


সেই শান্তিকুঞ্জ থেকে ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে ভবতারিনী মন্দিরের সামনে রবিবার সকালে চা চক্রের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কুনাল ঘোষ।সেই বৈঠকে কাঁথি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরি,কাউন্সিলার তনুশ্রী চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা।

কুণাল ঘোষ দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বললেন,যাঁরা আমাদের ভোট দেননি বলে আপনারা মনে করছেন, তাঁদের থেকে দূরে সরে যাবেন যাবেন না। উল্টে তাঁদের বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে কথা বলুন। এই কাজে মহিলারা বেশি করে দায়িত্ব নিন। কারণ, বাড়ির ভিতর ঢুকে ওদের ভোটটা বের করে আনতে হবে। আর কাঁথি শহরে এই কাজ দিব্যেন্দু অধিকারীর বউকে দিয়ে শুরু করুন। শুধু দিব্যেন্দু নয়,তাঁর মা অর্থাৎ শিশির বাবুর স্ত্রীর সাথেও বঙ্গজননি বাহিনীর মহিলাদের কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন কুনাল ঘোষ।

এই প্রসঙ্গে দিব্যেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, ওনার কথার কোনও গুরুত্ব নেই। ওনার কথার কোন উত্তর দেব না। উনি পাগল হয়ে গিয়েছেন।

যদিও কুণালবাবুর দাবি, এর মধ্যে কোনও ঝগড়া নেই, কোনও কটাক্ষ নেই, এটি একটি কর্মসূচি। তিনি বলেন,তাঁরা আমাদের দলের প্রতীকে নির্বাচিত। ফলে আমাদের দলের মহিলা কর্মীরা বা বঙ্গজননী যদি তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে চান, তাহলে কী অন্যায় আছে?

Related News

Also Read