কাঁথি মহকুমা পুলিশ অফিসারের অফিসের সামনে নিজের স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে খুন করলো এক পুলিশ কর্মী।শুক্রবার ভর দুপুরে এই খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কাঁথি শহর জুড়ে ।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মনসাতলা এলাকার বাসিন্দা বাপ্পাদিত্য রায় ।মারিশদা থানার পুলিশ কর্মী বাপ্পাদিত্য।জানা গেছে কাঁথি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের মনোহরচকের বাসিন্দা বর্নালী দেবীর সাথে প্রেম করে বিয়ে হয় বাপ্পাদিত্যের।স্থানীয়দের থেকে জানা গেছে বাপ্পাদিত্য রায় ও তার স্ত্রী বর্ণালী রায়ের এক কন্যা সন্তান আছে ।তবে কয়েক বিছর ধরে এই যুবক ও তার স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য ছিল। এই নিয়ে আদালতে মামলাও গড়ায়। এরপর বর্ণালী দেবী মেয়েকে নিয়ে মনোহরচিকে বাবার বাড়িতে থাকতেন।

শুক্রবার মেয়েকে নিয়ে কাঁথি হিন্দু গার্লস স্কুলে এসেছিলো বর্ণালী রায়।মেয়েকে স্কুলে মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার জন্য বসিয়ে স্কুলের বাইরে কাঁথি মহকুমা পুলিশ অফিসারের অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলেন অন্যান্য অভিভাবকদের সঙ্গে।সেই সময় ঘটনাস্থলে এসে মহকুমা পুলিশ অফিসারের অফিসের কম্পাউন্ডের মধ্যে বর্নালীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী।

ঘটনাটা নজরে আসতেই সেখানে উপস্থিত অন্যান্য অভিভাবিকাদের মধ্যে আতংক ছড়ায়।মহকুমা পুলিশ অফিসারের অফিসের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মী ও সিভিক ভলেন্টিয়ারেরা দৌড়ে আসেন।তারা এই যুবককে আটক করার পাশাপাশি বর্নালী দেবীকে উদ্ধার করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানেই এই মহিলাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন চিকিৎস্যকেরা।






