Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

কাঁথিতে পথবাতি দুর্নীতিতে নাম জড়ালো শিশির অধিকারীর বড় ছেলে ও সেজ পুত্রবধূর

শুভেন্দু অধিকারী,সৌম্যেন্দু অধিকারীর পর এবার সরকারী টাকা তছরূপে নাম জড়াল অধিকারী পরিবারের আরো দুই সদস্যের৷অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হল শিশির অধিকারীর বড় ছেলে তথা শুভেন্দু অধিকারীর দাদা কৃষ্ণেন্দু অধিকারী ৷অপরজন হল শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীর স্ত্রী সুতপা অধিকারী।
কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রিন সিটি প্রকল্পে কাঁথি শহরে একাধিক পথবাতি লাগানো হয়েছিল। এই পথবাতি লাগানোর সময় লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হয়েছিলো বলে অভিযোগ তুলেছিলেন কাঁথি শহরে এক বাসিন্দা৷সেই দুর্নীতিতে আগেই নাম জড়িয়েছে কাঁথি পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান তথা বর্তমান বিজেপি নেতা সৌম্যেন্দু অধিকারী।গ্রেফতারি এড়াতে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আসেন এই অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃনমূল নেতা তথা শিশির অধিকারীর ছোট ছেলে কাঁথির সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সৌম্যেন্দু অধিকারী।এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল কাঁথির শান্তিকুঞ্জের দুই বাসিন্দার নাম ।

উল্লেখ্য কাঁথির বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে
নবান্ন নির্দেশে তদন্ত শুরু করে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা৷ তদন্তের জন্য নবান্ন থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয় ২০২১ সালে ডিসেম্বর মাসে। ২৯ ডিসেম্বর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে আধিকারিকেরা। কমিটিতে রয়েছেন অতিরিক্তি জেলা শাসক পূর্ব মেদিনীপুর শ্বেতা আগরওয়াল, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) মানব সিংলা, মহকুমা শাসক আদিত্য বিক্রম মোহন হিরানী, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোমনাথ সাহা, কাঁথি থানার আই সি অমলেন্দু বিশ্বাস সহ প্রশাসনিক কর্তারা।
এই কান্ডে এবার অধিকারী পরিবারের বড় ছেলে এবং সেজ ছেলের বৌকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে কাঁথি থানায় ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ ।

কাঁথি মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোমনাথ সাহা জানিয়েছেন , পথবাতি কান্ডের তদন্তের কারণে অধিকারী পরিবারের দুজনকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷
যদিও এই ঘটনায় অধিকারী পরিবারের কোন সদস্যের প্রতিক্রিয়া মেলেনি৷তবে ঘটনাটা জানার পরেই কাঁথি শহর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Related News

Also Read