কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত শ্রম কোড বাতিল, বেকারদের চাকরি, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য বৃদ্ধি রোধ সহ ১৪টি দাবিতে দশটি বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনের ডাকে সারা দেশ জুড়ে আজ যে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিকো তাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কোন প্রভাব চোখে পড়লো না।বনধকে ঘিরে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই।

সকাল থেকেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জুড়ে দফায় দফায় বর্ষা হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়।এরমধ্যে বনধ সমর্থনকারীরা বিভিন্ন জায়গায় সকালে ট্রেন ও রাস্তা অবরোধ করার চেষ্টা করেছে।স্কুল- ব্যাঙ্ক -আদালত- কলেজ-কারখানা-বাজার প্রমুখ বিভিন্ন এলাকাতেও একই ভাবে অবরোধ করার চেষ্টা করে।তবে পুলিশ তাদের হটিয়ে দিয়েছে। জনগণ তাতে সাড়া দেননি। পুলিশ প্রশাসন সক্রিয় থাকায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বনধের তেমন প্রভাব পড়েনি।
হলদিয়া বন্দর, শোধনাগার সহ শিল্পাঞ্চলের সমস্ত কারখানায় স্বাভাবিক কাজকর্ম হয়েছে।কোলাঘাট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাভাবিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বাস চলাচল করেছে । তবে অন্যদিনের তুলনায় রাস্তায় বেসরকারি বাস ছিল অনেক কম। জেলার বিভিন্ন স্থানে অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য সিপিএম নেতা হিমাংশু দাস সহ বেশ কিছু নেতা-কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ।

দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, আজকেও অন্যান্য দিনের মতোই সংস্থার গাড়ি চলাচল করেছে। অন্য দিনের তুলনায় গাড়িতে যাত্রীর সংখ্যা ছিল বেশি। বিশেষ করে জঙ্গল মহল ডিভিশনের বাসে যাত্রী অনেক বেশি ছিল। দিঘা ও হলদিয়ার গাড়িতেও ভালোই যাত্রী ছিল। শিল্পাঞ্চলের পাশাপাশি দিঘা-মান্দারমনি-তাজপুর-শংকরপুর প্রভৃতি সৈকত শহরেও এদিন সব কিছুই সচল ছিলো।





